নিজস্ব প্রতিবেদক মুক্ত কণ্ঠস্বর
পরবর্তী কর্মপন্থা নিয়ে ডোনাল্ড ট্রাম্প কোনো বিস্তারিত মন্তব্য না করলেও, চলতি মাসের প্রারম্ভে তিনি স্পষ্ট করেছিলেন যে আগামী ৩ নভেম্বরের যুক্তরাষ্ট্র মধ্যবর্তী নির্বাচনের পূর্বে তেহরানের ওপর কোনো ধরনের সামরিক আক্রমণ চালানো হবে না এবং বর্তমানে উভয় রাষ্ট্রের মাঝে অর্থবহ কূটনৈতিক আলোচনা চলমান রয়েছে।
যদিও প্রভাবশালী মার্কিন গণমাধ্যম অ্যাক্সিওসের একটি প্রতিবেদনে তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে যে, সম্প্রতি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ও ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রীর মাঝে একটি সম্ভাব্য নতুন সামরিক অভিযান পরিচালনা নিয়ে মতবিনিময় হয়েছে। উক্ত বৈঠকে বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু সুনির্দিষ্ট গোয়েন্দা প্রমাণের ভিত্তিতে তেহরানের পারমাণবিক কর্মসূচি পুনর্বহাল হতে পারে বলে তীব্র শঙ্কা প্রকাশ করেন।
আসন্ন আগামী ২৭ অক্টোবর ইসরায়েলি ভূখণ্ডে জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে, যেখানে দেশটির ১২০ সদস্যবিশিষ্ট আইনসভা বা নেসেটে রাজনৈতিক জোট গঠনের মাধ্যমেই পরবর্তী সরকার প্রধান নির্বাচিত করা হয়ে থাকে।
উক্ত নির্বাচনী লড়াইয়ে নেতানিয়াহুর বিজয়ের লক্ষ্যে মার্কিন নেতা তাকে সর্বাত্মক ও পূর্ণাঙ্গ সমর্থনের ঘোষণা দিয়েছেন। এ সময় নেতানিয়াহুকে ভূয়সী প্রশংসা করে তাকে একজন ‘মহান যোদ্ধা প্রধানমন্ত্রী’ এবং অত্যন্ত ‘সাহসী ও মেধাবী’ ব্যক্তিত্ব হিসেবে অভিহিত করেন ট্রাম্প।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট মন্তব্য করেছেন যে, নেতানিয়াহু ব্যতিরেকে অন্য কোনো ব্যক্তি ইসরায়েলের রাষ্ট্রক্ষমতায় থাকলে যুক্তরাষ্ট্রকে সম্পূর্ণ একক দায়িত্বে তেহরানের মুখোমুখি দাঁড়াতে হতো, যা কোনোভাবেই তিনি করতে ইচ্ছুক নন।
মার্কিন প্রেসিডেন্টের এমন জোরালো সমর্থনের তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে নিজের ভেরিফায়েড অ্যাকাউন্টে এক পোস্টে লিখেছেন, ‘একসঙ্গে আমরা মিশনটি সম্পন্ন করব!’
জাতীয় দৈনিক মুক্ত কণ্ঠস্বর