ঢাকা | বঙ্গাব্দ

বাংলাদেশের ডিজিটাল ব্যাংকিং ও টেলিকম খাতে বড় সম্ভাবনার কথা জানাল আজিয়াটা

  • নিউজ প্রকাশের তারিখ : Oct 19, 2026 ইং
বাংলাদেশের ডিজিটাল ব্যাংকিং ও টেলিকম খাতে বড় সম্ভাবনার কথা জানাল আজিয়াটা ছবির ক্যাপশন:
ad728

নিজস্ব প্রতিবেদক মুক্ত কণ্ঠস্বর

মালয়েশিয়াভিত্তিক স্বনামধন্য আজিয়াটা গ্রুপ বিগত তিন দশকেরও বেশি সময় ধরে সুনামের সঙ্গে বাংলাদেশের টেলিযোগাযোগ খাতে তাদের ব্যবসায়িক কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে। সম্প্রতি এই বহুজাতিক গ্রুপটির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা বা সিইও নিক রিজাল কামিল ঢাকা সফর করেছেন। এই সফরকালে তিনি বাংলাদেশের সার্বিক ব্যবসায়িক পরিবেশ, টেলিকম খাতের বর্তমান অবস্থা, আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার এবং ভবিষ্যৎ বিনিয়োগের নানা দিক নিয়ে একটি সাক্ষাৎকারে খোলামেলা আলোচনা করেন। সাক্ষাৎকারটি গ্রহণ করেন সাংবাদিক সৈয়দ রিফাত মোসলেম।

চলতি বছরের জানুয়ারি মাস থেকে আজিয়াটা গ্রুপের প্রধান অর্থ কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালনের পর গত জুন মাসে গ্রুপ সিইওর দায়িত্ব গ্রহণ করেন নিক রিজাল কামিল। তিনি জানান যে বাংলাদেশে তাদের দীর্ঘদিনের উপস্থিতির সময়ে দেশের ব্যবসায়িক পরিবেশে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন সাধিত হয়েছে। বিশেষ করে মানুষের জীবনে ডিজিটাল সংযোগের গুরুত্ব বহুলাংশে বৃদ্ধি পেয়েছে। বর্তমান সময়ে টেলিকম খাত কেবল মানুষের পারস্পরিক যোগাযোগের মাধ্যমেই সীমাবদ্ধ নেই, বরং এটি দেশের অর্থনীতি, ব্যবসা-বাণিজ্য এবং মানুষের প্রাত্যহিক জীবনের এক অনিবার্য অবকাঠামোতে পরিণত হয়েছে।

বাংলাদেশের চলমান ডিজিটাল রূপান্তরের অগ্রযাত্রার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে এই খাতের গুরুত্বও প্রতিনিয়ত বৃদ্ধি পাচ্ছে। সাম্প্রতিক সময়ে সরকারের নীতিগত দিক থেকেও কিছু ইতিবাচক পরিবর্তন পরিলক্ষিত হচ্ছে বলে তিনি উল্লেখ করেন। শিল্প খাতের জন্য একটি সহায়ক পরিবেশ সৃষ্টি এবং অর্থনীতির বিভিন্ন ক্ষেত্রে সংস্কার সাধনের নানা উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। টেলিকম খাতের ক্ষেত্রেও কিছু ইতিবাচক পদক্ষেপের কথা তারা লক্ষ্য করছেন। তাদের সুনির্দিষ্ট দৃষ্টিতে, সরকার এবং শিল্প খাত—উভয় পক্ষের নিজস্ব প্রয়োজন ও অগ্রণাধিকারের মাঝে একটি কার্যকর ও টেকসই ভারসাম্য বজায় রেখে সামনে এগিয়ে যাওয়াই সবচেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ।

মালয়েশিয়ার বাজারেও কাজের অভিজ্ঞতা থাকা এই শীর্ষ কর্মকর্তা দুই দেশের ব্যবসায়িক পরিবেশের মধ্যে বেশ কিছু মৌলিক পার্থক্যের কথা তুলে ধরেন। মালয়েশিয়া ও বাংলাদেশের অর্থনীতির সামগ্রিক আকার, মোট জনসংখ্যা, সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতা কিংবা বাজারের পরিপক্বতা কোনোটিই হুবহু এক নয়। ফলশ্রুতিতে, একটি নির্দিষ্ট বাজারে যে অভিজ্ঞতা কিংবা ব্যবসায়িক কৌশল সফল প্রমাণিত হয়েছে, সেই একই মডেল অন্য বাজারে গিয়ে হুবহু প্রয়োগ করা সব সময় সম্ভব হয়ে ওঠে না।

আজিয়াটা বিশ্বের বিভিন্ন দেশে সফলতার সঙ্গে তাদের ব্যবসা পরিচালনা করে থাকে উল্লেখ করে তিনি জানান যে তাদের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো প্রতিটি পৃথক বাজারের নিজস্ব বাস্তব পরিস্থিতি, গ্রাহক সাধারণের সুনির্দিষ্ট চাহিদা এবং ব্যবসায়িক পরিবেশকে গভীরভাবে অনুধাবন করা। সেই বিশেষ বাস্তবতা অনুযায়ী সঠিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ করাকেই তারা প্রাধান্য দিয়ে থাকেন। একটি দেশের বাজারে সফল কোনো ব্যবসায়িক মডেল অন্য আরেকটি দেশে গিয়ে অবিকল কাজ করবে, এমন কোনো অবাস্তব প্রত্যাশা তারা করেন না বলে স্পষ্ট জানান।

বাংলাদেশের বাজারে তাদের অন্যতম প্রধান অঙ্গপ্রতিষ্ঠান রবির বর্তমান অবস্থান নিয়ে কথা বলতে গিয়ে সিইও জানান যে রবি বাংলাদেশের জন্য যেমন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, তেমনি আজিয়াটার সামগ্রিক ব্যবসায়িক পোর্টফোলিওর ক্ষেত্রেও এটি একটি অপরিহার্য নাম। এটি তাদের বিশ্বব্যাপী পরিচালিত মাত্র পাঁচটি প্রধান টেলিকম ব্যবসার একটি। আজিয়াটার সামগ্রিক পোর্টফোলিওর প্রায় নব্বই শতাংশই এই পাঁচটি প্রধান টেলিকম ব্যবসা থেকে অর্জিত হয়। সেই বিশেষ ব্যবসায়িক বিবেচনায় রবি তাদের অন্যতম মূল্যবান একটি সম্পদ।

তারা রবিতে ধারাবাহিকভাবে বিনিয়োগ অব্যাহত রেখেছেন, যার মূল কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে উন্নত নেটওয়ার্ক আধুনিকায়নের কাজ। বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সম্ভাবনার প্রতি তাদের দীর্ঘমেয়াদি সুদৃঢ় প্রতিশ্রুতি রয়েছে। দেশের চলমান ডিজিটাল রূপান্তর এবং সার্বিক অর্থনৈতিক উন্নয়নে শক্তিশালী টেলিকম অবকাঠামোর ভূমিকা অত্যন্ত সুদূরপ্রসারী। তাই ব্যবসার সামগ্রিক পরিবেশ যদি আরও বেশি কার্যকর এবং আকর্ষণীয় বিনিয়োগবান্ধব হয়ে ওঠে, তবে তার ইতিবাচক সুফল কেবল কোনো একক কোম্পানির পকেটে যাবে না, বরং বৃহত্তর জাতীয় অর্থনীতির বুনিয়াদকেও আরও অনেক বেশি শক্তিশালী করবে।

গ্রামীণফোনের তুলনায় রবি রেকর্ড পরিমাণ মুনাফা অর্জন করলেও কেন এর মুনাফার হার তুলনামূলক কম, এমন প্রশ্নের উত্তরে তিনি জানান যে গ্রামীণফোন এবং রবি সম্পূর্ণ ভিন্ন ধাঁচের দুটি করপোরেট প্রতিষ্ঠান। তাদের স্ব স্ব ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট, ব্যবসার আকার, বাজারে বর্তমান অবস্থান এবং সামগ্রিক ব্যবসার বিবর্তনের ধারা সম্পূর্ণ আলাদা। তাই কেবল একটিমাত্র আর্থিক সূচকের মাপকাঠিতে সরাসরি তুলনা করলে পুরো বাজারের সঠিক চিত্রটি কখনোই পাওয়া সম্ভব নয়।

তাদের কাছে এর চেয়েও অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো রবির সুশৃঙ্খল ও ধারাবাহিক অগ্রগতি। রবি বাংলাদেশের বাজারে নিজেদের অবস্থান অত্যন্ত সুদৃঢ় করেছে, ডেটা ব্যবসার ক্ষেত্রে জোরালো নেতৃত্ব তৈরি করেছে, নিজেদের মুনাফা বাড়িয়ে চলেছে এবং এর পাশাপাশি শেয়ারহোল্ডারদের জন্য দীর্ঘমেয়াদি মূল্য তৈরি করে চলেছে। একটি দায়িত্বশীল শেয়ারহোল্ডার হিসেবে তাদের করপোরেট দৃষ্টিভঙ্গি কেবল স্বল্পমেয়াদি তুলনার সংকীর্ণ গণ্ডির মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে না। তাদের মূল লক্ষ্য হলো সুশৃঙ্খল কার্যক্রম পরিচালনা, যথাযথ কৌশলগত বিনিয়োগ নিশ্চিত করা এবং টেকসই প্রবৃদ্ধির মাধ্যমে রবির ভেতরের সব সুপ্ত সম্ভাবনাকে শতভাগ কাজে লাগানো।

গ্রাহক সাধারণের পক্ষ থেকে নেটওয়ার্কের মান, ইন্টারনেটের কাঙ্ক্ষিত গতি এবং বিভিন্ন সেবা নিয়ে প্রায়শই নানা ধরনের অভিযোগের কথা শোনা যায়—এ বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে তিনি বলেন যে গ্রাহকের সন্তুষ্টি ও অভিজ্ঞতা তাদের কাছে সবসময়ই অত্যন্ত সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার পেয়ে থাকে। চলমান নেটওয়ার্ক আধুনিকীকরণের অন্যতম প্রধান উদ্দেশ্যই হলো দেশের সাধারণ গ্রাহকদের আরও উন্নত, গতিশীল ও নির্ভরযোগ্য সেবা উপহার দেওয়া।

কোথায় নেটওয়ার্কের ক্ষেত্রে সমস্যা তৈরি হচ্ছে কিংবা কোন অঞ্চলে সেবার মান ক্রমাগত কমছে, সেই বিষয়গুলো তারা নিয়মিত অত্যন্ত নিখুঁতভাবে বিশ্লেষণ করেন এবং যথাসময়ে প্রয়োজনীয় সংশোধনমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করাকে তারা সর্বদাই সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে থাকেন। রবির ডেটা ব্যবসা বর্তমানে বাজারের একদম শীর্ষস্থানীয় অবস্থানে রয়েছে, যা তাদের গভীরভাবে আনন্দিত করে। ২০১৮ সালে বাংলাদেশে প্রথম ফোর-জি প্রযুক্তি চালুর সেই সূচলগ্ন থেকেই তারা সর্বদা লক্ষ্যভিত্তিক বিনিয়োগ করে চলেছেন, যার সুফল আজ দেশের সাধারণ মানুষ বাস্তবে দেখতে পাচ্ছে। ফোর-জি হোক কিংবা আসন্ন ফাইভ-জি প্রযুক্তি, দিনের শেষে তাদের কাছে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো গ্রাহকের জন্য আরও ভালো ইন্টারনেট গতি, পূর্ণাঙ্গ নির্ভরযোগ্যতা এবং চমৎকার অভিজ্ঞতা নিশ্চিত করা।

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই প্রযুক্তি অদূর ভবিষ্যতে টেলিকম খাতের বিভিন্ন স্তরে যুগান্তকারী কী ধরনের পরিবর্তন বয়ে আনতে পারে, সে বিষয়ে আলোকপাত করতে গিয়ে সিইও জানান যে এটি এই খাতের নানা স্তরে অত্যন্ত উল্লেখযোগ্য রূপান্তর ঘটাতে সক্ষম। তাদের ব্যবসার ক্ষেত্রে একটি অন্যতম অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্র হতে পারে উন্নত গ্রাহক ব্যবস্থাপনা। সাধারণ গ্রাহকদের প্রকৃত প্রয়োজন আরও নিখুঁতভাবে বোঝা, তাদের দীর্ঘ সময় ধরে ধরে রাখা, কোম্পানির বিক্রয় কার্যক্রম পরিচালনা এবং সার্বিক কাস্টমার ম্যানেজমেন্ট প্রক্রিয়াকে আরও বেশি কার্যকর করার ক্ষেত্রে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা অত্যন্ত ফলপ্রসূ ভূমিকা পালন করতে পারে।

নেটওয়ার্ক ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রেও এই প্রযুক্তির এক বিশাল অপার সম্ভাবনা লুকিয়ে রয়েছে। ঠিক কোন নির্দিষ্ট এলাকায় ভবিষ্যতে সম্ভাব্য কোনো সমস্যা তৈরি হতে পারে কিংবা কোথায় সেবার মান ধীরে ধীরে কমতে শুরু করেছে—এআই প্রযুক্তির সহায়তার মাধ্যমে তা এখন আগের চেয়ে অনেক আগেই নিখুঁতভাবে শনাক্ত করা সম্ভব হতে পারে। এর ওপর ভিত্তি করে যদি আগে থেকেই যথাযথ প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা যায়, তবে যেকোনো নেটওয়ার্কের অযাচিত অবনতি ঠেকানো, সেবার মান বহুগুণ বাড়ানো এবং সার্বিক পরিচালন ব্যয় বা কস্ট টু সার্ভ উল্লেখযোগ্যভাবে কমিয়ে আনা সম্ভবপর হবে।

টেলিকম খাতের সুনির্দিষ্ট গণ্ডির বাইরে গিয়ে আজিয়াটা কি বাংলাদেশে সম্পূর্ণ নতুন কোনো ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত হতে আগ্রহী কি না, এমন এক প্রশ্নের জবাবে তিনি পরিষ্কার জানান যে তারা নতুন সম্ভাবনার দ্বার সবসময়ই গভীর পর্যবেক্ষণে রাখেন। তবে তাদের মূল ও প্রধান ব্যবসা এখনো পর্যন্ত টেলিকম খাতই রয়ে গেছে। এটি তাদের কোম্পানির মূল ডিএনএ এবং ভবিষ্যতেও তাদের সমস্ত কর্পোরেট কৌশলের একেবারে কেন্দ্রবিন্দুতেই বহাল থাকবে।

ফলস্বরূপ, তারা এমন সব নতুন ব্যবসার প্রতি বেশি আগ্রহী ও উদগ্রীব, যেগুলো তাদের বর্তমান মূল ব্যবসার সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত এবং যেগুলোতে তাদের বিদ্যমান প্রযুক্তিগত দক্ষতা, জনবল ও অবকাঠামোকে পুনরায় কার্যকরভাবে কাজে লাগানো সম্ভব হতে পারে। যদি তারা এমন কোনো নতুন প্রযুক্তি ব্যবসায় বিনিয়োগ করেন, যার সঙ্গে তাদের মূল টেলিকম ব্যবসার কোনো ধরনের কৌশলগত সম্পর্কই নেই, তবে সেই বিশেষ বিনিয়োগের যৌক্তিকতা নিয়েই বড় ধরনের প্রশ্ন উঠবে। সেই সুনির্দিষ্ট কারণেই প্রযুক্তি খাতের অন্য কোনো ক্ষেত্রেও তারা অত্যন্ত বেছে বেছে এবং দীর্ঘমেয়াদি কৌশলগত দৃষ্টিভঙ্গি নিয়েই বিনিয়োগ করতে আগ্রহী।

বাংলাদেশের অর্থনৈতিক বাজারে ডিজিটাল ব্যাংকিং খাতের অপার সম্ভাবনাকে তারা ঠিক কোন দৃষ্টিতে দেখছেন, সে বিষয়ে আলাপকালে তিনি জানান যে বাংলাদেশের ডিজিটাল ব্যাংকিংয়ের ক্ষেত্রে এক বিশাল সম্ভাবনা লুকিয়ে রয়েছে। এটি দেশের উদীয়মান অর্থনীতিকে সামনে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে অত্যন্ত সহায়ক ভূমিকা পালন করতে পারে এবং এর মাধ্যমে দেশের সাধারণ মানুষ ধীরে ধীরে আরও বেশি ডিজিটাল ও ক্যাশলেস একটি আধুনিক আর্থিক ব্যবস্থার দিকে ধাবিত হবে।

তবে এই ক্ষেত্রে কাজ শুরু করার শুরুতেই কোনো অন্ধ বড় ধরনের বিনিয়োগ করার পরিবর্তে সাধারণ মানুষের প্রকৃত চাহিদা ঠিক কোথায় রয়েছে, তা গভীরভাবে অনুধাবন করা অত্যন্ত জরুরি। তাদের মতে, এই ব্যবসাটি পুরোপুরি ‘সাপ্লাই-লেড’ বা জোগাননির্ভর না হয়ে বরং খাঁটি অর্থে ‘ডিমান্ড-লেড’ বা চাহিদনির্ভর হওয়া বাঞ্ছনীয়। অর্থাৎ, কেবল একটি সেবা কোনো রকমে তৈরি করে বাজারে জোর করে নিয়ে যাওয়ার পরিবর্তে দেশের সাধারণ মানুষ আসলে ঠিক কোন ধরনের সেবাটি পেতে ইচ্ছুক এবং তারা তাদের কোন সুনির্দিষ্ট সমস্যার সহজ সমাধান চাচ্ছে, সেই বাস্তব বিষয়টিকে পুরোপুরি কেন্দ্র করেই তাদের পরবর্তী সমস্ত পরিকল্পনা সাজিয়ে সামনের দিকে এগিয়ে যেতে হবে।


নিউজটি পোস্ট করেছেন : জাতীয় দৈনিক মুক্ত কণ্ঠস্বর

কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
আমি চুয়েটের শিক্ষার্থী, তাই আবেগ ও দায়বদ্ধতাও বেশি : চুয়েটের

আমি চুয়েটের শিক্ষার্থী, তাই আবেগ ও দায়বদ্ধতাও বেশি : চুয়েটের