ঢাকা | বঙ্গাব্দ

কম্বোডিয়ার প্রতারণা কেন্দ্র থেকে পালিয়ে বন্দি থাকা ৩০ বাংলাদেশি স্বদেশে প্রত্যাবর্তন

  • নিউজ প্রকাশের তারিখ : Oct 20, 2026 ইং
কম্বোডিয়ার প্রতারণা কেন্দ্র থেকে পালিয়ে বন্দি থাকা ৩০ বাংলাদেশি স্বদেশে প্রত্যাবর্তন ছবির ক্যাপশন:
ad728

নিজস্ব প্রতিবেদক মুক্ত কণ্ঠস্বর

কম্বোডিয়ার সাইবার স্ক্যাম সেন্টার বা প্রতারণা কেন্দ্র থেকে পালিয়ে দেশে ফেরার পথে বন্দি হওয়া ৩০ জন বাংলাদেশি নাগরিক অবশেষে নিরাপদে নিজেদের মাতৃভূমিতে ফিরে এসেছেন।

আজ মঙ্গলবার দুপুর ১২টা ১০ মিনিটের সময় থাই এয়ারওয়েজের টিজি-৩২১ নম্বর ফ্লাইটের মাধ্যমে তারা রাজধানীর হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করেন।

এর আগে এই ৩০ বাংলাদেশি নাগরিক কম্বোডিয়ার একটি ইমিগ্রেশন ডিটেনশন সেন্টারে আটকে ছিলেন।

তাদের কারাবাস থেকে মুক্ত করে দ্রুত দেশে ফিরিয়ে আনার সকল ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ বোর্ডের পক্ষ থেকে ব্যাংককস্থ বাংলাদেশ দূতাবাসের শ্রম উইংয়ের প্রথম সচিবের দপ্তরে আনুষ্ঠানিক পত্র পাঠানো হয়েছিল।

বোর্ডের উপপরিচালক (আইআরপি) মোহাম্মদ জাকির হোসেনের দস্তখত করা ওই চিঠিতে অনির্বাণ সারভাইভার ভয়েস ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে করা আবেদনের প্রেক্ষিতে আটককৃত বাংলাদেশিদের অবিলম্বে মুক্তি দিয়ে দ্রুত দেশে পাঠানোর প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে অনুরোধ করা হয়েছিল।

এর আগে গত ৩ সেপ্টেম্বর নিজ দেশে ফিরে আসার উদ্দেশ্যে কম্বোডিয়ার রাজধানী নমপেনের আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে উপস্থিত হলে দেশটির ইমিগ্রেশন পুলিশ ৩২ জন বাংলাদেশিকে আটক করে।

সে সময় তাদের মধ্যে দুই জনের মুক্তি মিললেও বাকি ৩০ জন কম্বোডিয়ার ইমিগ্রেশন ডিটেনশন সেন্টারে বন্দি জীবন কাটাতে বাধ্য হন।

চলোচতুর দালাল চক্রের সদস্যরা আকর্ষণীয় অঙ্কের বেতনের মিথ্যা আশ্বাস দিয়ে এই সব সরলপ্রান বাংলাদেশিদের প্রলুব্ধ করে কম্বোডিয়ায় পাড়ি জমাতে বাধ্য করেছিল।

সেখানে গন্তব্যে পৌঁছানোর পর তাদের অনেকের ওপর জোর খাটিয়ে সাইবার স্ক্যামিং তথা ডিজিটাল প্রতারণার বিভিন্ন অপরাধমূলক কাজে ব্যবহার করা হতো বলে জানা যায়।

ঐ সমস্ত ভয়ংকর প্রতারণা কেন্দ্র থেকে কোনোভাবে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে অসহায় এসব মানুষের ওপর শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন চালানো হতো মর্মে গুরুতর অভিযোগ রয়েছে।

পরবর্তীতে কম্বোডিয়া সরকারের নির্ধারিত আইনানুগ প্রক্রিয়া অনুসরণ করে নিজেদের দেশে ফিরে যাওয়ার লক্ষ্য নিয়ে গত ৩ সেপ্টেম্বর তারা নমপেন বিমানবন্দরে উপস্থিত হন।

কিন্তু বিমানবন্দরের ইমিগ্রেশন পারাপার যাচাইয়ের সময় অবৈধভাবে দেশটিতে অবস্থান করা এবং আনুষঙ্গিক নানা আইনি জটিলতার কারণে ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষ তাদের আটক করেছিল।


নিউজটি পোস্ট করেছেন : জাতীয় দৈনিক মুক্ত কণ্ঠস্বর

কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
মাদুরোকে আটক: মার্কিন ‘আগ্রাসন’ নিয়ে ইরানের অবস্থান কী?

মাদুরোকে আটক: মার্কিন ‘আগ্রাসন’ নিয়ে ইরানের অবস্থান কী?