
নিজস্ব প্রতিবেদক মুক্ত কণ্ঠস্বর
আগুন লাগার কাঠের কাঠামোটিতে কোনো ধরনের অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা, ফায়ার অ্যালার্ম কিংবা সুরক্ষার নীতিমালা ছিল না বলে নিশ্চিত করেছে ফায়ার সার্ভিস। স্থানীয় ফায়ার স্টেশন কর্মকর্তা সৈয়দ মোহাম্মদ মোরশেদ হোসেনের ভাষ্যমতে, গত জুনে স্থাপনাটি সরেজমিন যাচাইয়ের পরই সেটিকে ঝুঁকিপূর্ণ ঘোষণা করে সতর্কবার্তা পাঠানো হয়েছিল। তা সত্ত্বেও কোনো ধরনের অগ্নিলাইসেন্স সংগ্রহ না করেই ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছিল প্রতিষ্ঠানটি।
অন্যদিকে, আলোচ্য এই রিসোর্টের কোনো পরিবেশগত অনুমোদন বা ছাড়পত্র নেই বলে জানিয়েছেন পরিবেশ অধিদপ্তরের আঞ্চলিক প্রধান মোহাম্মদ জমির উদ্দিন। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, গত এপ্রিলে ওই কর্তৃপক্ষকে নোটিশ পাঠানো হয়েছিল এবং নির্দেশনা অমান্য করায় ১৩ মে এক লাখ টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়।
পর্যটন এলাকার ৮০ কিলোমিটার দীর্ঘ মেরিন ড্রাইভ সড়কে বর্তমানে হোটেল, মোটেল, রিসোর্ট এবং ভোজনালয়ের সংখ্যা ক্রমাগত বৃদ্ধি পাচ্ছে। অথচ এগুলোর বেশিরভাগই নির্মাণের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট কোনো দপ্তরের ছাড়পত্র নেয়নি।
পরিবেশ বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, গত ১৯৯৯ সালে এই সমুদ্রসৈকত সংলগ্ন অঞ্চলকে সংরক্ষিত প্রতিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকা হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছিল। কিন্তু প্রচলিত আইন ও নির্দেশনা পুরোপুরি উপেক্ষা করে সেখানে যত্রতত্র গড়ে তোলা হচ্ছে নানা স্থাপনা।