
নিজস্ব প্রতিবেদক মুক্ত কণ্ঠস্বর
পুলিশের তদন্তে বেরিয়ে এসেছে যে, উপজেলার নওদা খাদিমপুর গ্রামের বাসিন্দা আলাউদ্দিন ও সিমা খাতুন দম্পতিসহ পরিবারের বেশ কজন সদস্যের পূর্বসম্মত ও পারস্পরিক জানাজানি করে ২৫ থেকে ৩০ হাজার টাকার বিনিময়ে তাদের নবজাতক সন্তানকে অন্যের কাছে হস্তান্তর বা বিক্রি করে দেওয়া হয়েছিল।
পরবর্তীতে ওই নবজাতক শিশুকে নিজের জিম্মায় নিয়ে যান একই এলাকার আনিস নামের একজন পল্লিচিকিৎসক।
পুলিশের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আনিস দাবি করেছেন যে, তার নিজের ঔরসে কোনো সন্তান না থাকার কারণে মূলত নিজের কাছে লালন-পালন করার উদ্দেশ্যেই তিনি শিশুটিকে শিশুটির বাবা আলাউদ্দিনের কাছ থেকে গ্রহণ করেছিলেন।
এদিকে নাম প্রকাশ না করার শর্তে এলাকার বেশ কিছু স্থানীয় বাসিন্দা অভিযোগ তুলেছেন যে, এই নবজাতককে পরবর্তীতে আরও অধিক মূল্যে বা বেশি দামে অন্য কোথাও বিক্রির অসৎ উদ্দেশ্যে পুরো ঘটনাটিকে একটি পরিকল্পিত চুরির নাটক হিসেবে সাজানো হয়ে থাকতে পারে।
স্থানীয়দের এই অভিযোগের সত্যতা বর্তমানে পুলিশ নিবিড়ভাবে খতিয়ে দেখছে এবং সার্বিক বিষয়টি যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে বলে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।