
নিজস্ব প্রতিবেদক মুক্ত কণ্ঠস্বর
ভারতের শাসক মহলের একাংশের দাবি অনুযায়ী, সাম্প্রতিক সরকারবিরোধী বিক্ষোভে বাংলাদেশ থেকে উসকানি দেওয়া হচ্ছে এবং এই কর্মকাণ্ডের জন্য দিল্লি পর্যন্ত অর্থ পাঠানো হচ্ছে। ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি) জ্যেষ্ঠ নেতা দিলীপ ঘোষ এই অভিযোগ তুলেছেন।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী কিরেণ রিজিজু লিখেছেন যে ভারত কোনোভাবেই বাংলাদেশ নয়। তিনি আরও উল্লেখ করেন যে ভারতের তরুণ সমাজ দেশ গড়ার কাজে পুরোপুরি মনোযোগী রয়েছে, ধ্বংসাত্মক কোনো কার্যকলাপে নয়। আন্দোলন ও প্রতিবাদের নামে দেশের গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে অস্থিতিশীল করে তোলার যে কোনো প্রচেষ্টার তিনি কড়া ভাষায় সমালোচনা করেন।
ঠিক একই সময়ে ভারতের প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিংও প্রধান বিরোধী দল কংগ্রেস এবং তাদের রাজনৈতিক মিত্রদের বিরুদ্ধে তীব্র আক্রমণ শাণান। দিল্লিতে তরুণদের নেতৃত্বাধীন আন্দোলনগুলোকে রাজনৈতিকভাবে কাজে লাগিয়ে কংগ্রেস পুরো দেশজুড়ে একধরনের অরাজকতা ছড়াতে চাইছে এবং বাংলাদেশ ধাঁচে সরকার পরিবর্তনের চক্রান্ত করছে বলে তিনি গুরুতর অভিযোগ তোলেন।
শাসক দলের এসব ধারাবাহিক অভিযোগের তীব্র জবাব দিয়ে এবার সরব হয়েছে প্রধান বিরোধী দল কংগ্রেস।
ভারতের সাবেক কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ও জ্যেষ্ঠ কংগ্রেস নেতা পি চিদাম্বরম শাসক মহলের এই প্রতিক্রিয়াকে নিছক ‘কৃত্রিম ক্ষোভ’ বলে আখ্যায়িত করেছেন। তিনি মন্তব্য করেছেন যে একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রব্যবস্থায় সরকার পরিবর্তন বা রিজিম চেঞ্জ অত্যন্ত স্বাভাবিক ও স্বীকৃত একটি রাজনৈতিক প্রক্রিয়া। এটি নিয়ে শাসক দলের এতটা উদ্বিগ্ন হওয়ার বা বিচলিত হওয়ার কোনো কারণ নেই।