
নিজস্ব প্রতিবেদক মুক্ত কণ্ঠস্বর
বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি প্রফেশনালস প্রতিষ্ঠানের আইন বিভাগ থেকে পাস করা পাঁচ জন শিক্ষার্থী জুডিশিয়াল সার্ভিস পরীক্ষায় সফলতা অর্জন করে সহকারী জজ পদে চূড়ান্তভাবে মনোনীত হয়েছেন। এই অর্জনের ফলে সংশ্লিষ্ট শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে আনন্দের আবহ তৈরি হয়েছে এবং কৃতী শিক্ষার্থীদের জন্য শুভকামনা জানানো হচ্ছে।
সফল প্রার্থীদের অন্যতম পঞ্চম ব্যাচের মেধাবী মুখ তাহছিনা জামান ঊননব্বইতম মেধাতালিকায় স্থান পেয়ে নিয়োগের জন্য নির্বাচিত হয়েছেন। তাঁর পৈতৃক নিবাস ঝিনাইদহ জেলার কোটচাঁদপুর অঞ্চলে অবস্থিত। তিনি বিগত সনের এপ্রিল মাসে স্নাতকোত্তর পাঠ্যক্রম শেষ করেছিলেন।
নির্বাচিত হওয়ার পর নিজের আনন্দ প্রকাশ করতে গিয়ে তাহছিনা জামান জানান যে বর্তমান অনুভূতি ভাষায় প্রকাশ করা সম্ভব নয়। প্রায় চব্বিশ মাস ব্যাপী পড়াশোনা, বহু রাত জাগা, নিজের ওপর বারবার আস্থা স্থাপন এবং পরিবারের দোয়া ও ত্যাগ মিলে এই অবস্থানে আসা সম্ভব হয়েছে। পরম করুণাময়ের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে তিনি উল্লেখ করেন যে তাঁর প্রচেষ্টা কবুল হয়েছে।
তাঁর দৃষ্টিতে সবচেয়ে বড় কর্তব্য ও লক্ষ্য হলো জনসাধারণের বিশ্বাস এবং ইনসাফের মর্যাদা অক্ষুণ্ণ রেখে সততা ও নিষ্ঠার সাথে বিচারক হিসেবে কাজ করা। জুনিয়রদের প্রতি তাঁর পরামর্শ ছিল আল্লাহর ওপর পূর্ণ ভরসা রাখা, সময়কে মূল্যায়ন করা এবং সততার পথে নিরলস চেষ্টা চালিয়ে যাওয়া।
এই সাফল্যে বিউপি-র আইন বিভাগের পক্ষ থেকে সফল পাঁচ শিক্ষার্থীকে উষ্ণ অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জ্ঞাপন করেছেন সহকারী শিক্ষক ও দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রধান মো. সাদেকুল ইসলাম।
তিনি তাঁর বক্তব্যে বলেন যে এই ব্যতিক্রমি সাফল্য তাদের একাগ্রতা, কঠোর পরিশ্রম, প্রাতিষ্ঠানিক উৎকর্ষ এবং আইন পেশার প্রতি অটুট প্রতিশ্রুতির সাক্ষ্য বহন করে। তাদের এই বিজয় আইন বিভাগের জন্য ভীষণ গর্বের বিষয় হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
তাদের এই কৃতিত্বের মাধ্যমে তারা শিক্ষক সমাজ, প্রিয় বিদ্যাপীঠ বিইউপি এবং এফএসএসএস-এর আইন বিভাগের সুনাম ও গৌরব বৃদ্ধি করেছেন। শিক্ষক মহোদয় আরও যোগ করেন যে শিক্ষার্থীরা বিচার বিভাগের মতো মহৎ ও মর্যাদাপূর্ণ পেশার মাধ্যমে দেশের সেবায় কেরিয়ারের প্রথম গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ রাখছেন, যা সকলের জন্য অত্যন্ত গর্বের বিষয়।
তারা কর্মজীবনে প্রবেশ করে ন্যায়বিচার, সততা, নিরপেক্ষতা এবং ন্যায্যতার আদর্শ সবসময় সমুন্নত রাখবেন বলে দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করা হয়েছে।