
নিজস্ব প্রতিবেদক মুক্ত কণ্ঠস্বর
আজ বিকেলে লাবণী ও সুগন্ধা পয়েন্টে ঘুরে দেখা মেলে এক প্রাণবন্ত দৃশ্যের, যেখানে অসংখ্য মানুষের পদচারণায় প্রকম্পিত হয়ে উঠেছে সমুদ্রসৈকতের বালুকাবেলা। অনেককেই নিজ পরিবারের সবাইকে নিয়ে সমুদ্রের উত্তাল ঢেউয়ের সৌন্দর্য উপভোগ করতে দেখা গেছে, আবার কেউ কেউ প্রিয় মানুষের সঙ্গে ফ্রেমবন্দী হচ্ছেন ক্যামেরায়।
শুধু স্থানীয় কিংবা আশপাশের এলাকা নয়, প্রতিমা বিসর্জনের বর্ণিল উৎসব চাক্ষুষ করতে দেশের নানা প্রান্ত থেকে ছুটে এসেছেন বহু মানুষ। এই জনস্রোতের ছোঁয়া লেগেছে কেবল মূল সৈকতেই নয়, বরং এর আশপাশের দর্শনীয় স্থান যেমন হিমছড়ি, ইনানী এবং মেরিন ড্রাইভের বিভিন্ন স্পটেও দর্শনার্থীদের ভিড় লক্ষ্য করা যাচ্ছে।
এমন ব্যাপক মানুষের সমাগমকে কেন্দ্র করে স্থানীয় ব্যবসা ও সেবামূলক খাতে ফিরে এসেছে প্রাণচাঞ্চল্য। বিশেষ করে হোটেল, রেস্তোরাঁ, পরিবহন খাত, সৈকতপারের ছোট ব্যবসায়ী এবং পর্যটন খাতের সঙ্গে জড়িত কর্মীদের মাঝে এক অন্যরকম কর্মব্যস্ততা ও স্বস্তি বিরাজ করছে।
যদিও পর্যটকদের এই আগমন পর্যটনশিল্পে এক ধরনের স্বস্তি এনে দিয়েছে, তবুও এর পাশাপাশি ব্যবসায়ীদের মনে এক অদ্ভুত উদ্বেগও কাজ করছে। গত ১৭ অক্টোবর উখিয়ার পাটুয়ারটেকের টুপটুপ রিসোর্টে ঘটে যাওয়া সেই মর্মান্তিক ও ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ১০ জন পর্যটকের প্রাণহানির ঘটনা ঘটে।
ওই ভয়ংকর দুর্ঘটনার পর থেকেই মেরিন ড্রাইভ সংলগ্ন সৈকতঘেঁষা কটেজ ও রিসোর্টগুলোতে রাত্রিযাপন করা নিয়ে ভ্রমণপিপাসুদের অনেকের মধ্যেই একধরনের মানসিক অস্বস্তি ও আতঙ্ক রয়ে গেছে। ফলে অনেক পর্যটককেই দেখা যাচ্ছে তাদের পূর্বনির্ধারিত আগাম বুকিংগুলো বাতিল করে ফেলতে।
ঝুঁকি এড়াতে ভ্রমণকারীরা মেরিন ড্রাইভের একাত্তরের কটেজ বা রিসোর্টগুলোর বদলে এখন শহরের ভেতরের অপেক্ষাকৃত নিরাপদ হোটেলগুলোকে তাদের থাকার জন্য বেছে নিচ্ছেন।
সার We সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে কলাতলী হোটেল-রিসোর্ট মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক মুকিম খান গণমাধ্যমকে জানান, সৈকতে দর্শনার্থীদের উপচে পড়া ভিড় লক্ষ্য করা গেলেও মেরিন ড্রাইভ এলাকার নির্দিষ্ট কিছু রিসোর্ট ও কটেজে অতিথিদের উপস্থিতি আশানুরূপভাবে হ্রাস পেয়েছে।