
নিজস্ব প্রতিবেদক মুক্ত কণ্ঠস্বর
রিয়াল মাদ্রিদে নাম লেখানোর পর থেকেই বড় বড় তারকাদের ভিড়ে আলো কেড়ে নিচ্ছেন উদীয়মান ফুটবলার দিওমান্দে। শুরুতে নিজের যোগ্যতার জানান দিলেও শুরুর একাদশে পাকাপাকিভাবে নিজের আসন এখনো শক্ত করতে পারেননি এই তরুণ।
গত ১০ অক্টোবর ভিয়ারিয়ালের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে রিয়ালের জার্সিতে নিজের ক্যারিয়ারের প্রথম গোলটি আদায় করেন তিনি। এর ঠিক পরেই সেভিয়ার বিপক্ষে দলের ৪-১ গোলের বিশাল জয়ে দুর্দান্ত এক গোল করার পাশাপাশি সতীর্থ আরদা গুলারের গোলে দারুণ সহায়তা করেন দিওমান্দে।
ওই ম্যাচে তার করা দূরপাল্লার নজরকাড়া শটটি দর্শকদের মনে গেঁথে যায় এবং তা ম্যাচের অন্যতম সেরা আকর্ষণ হিসেবে বিবেচিত হয়। চলতি মৌসুমে সব ধরনের প্রতিযোগিতামূলক ম্যাচ মিলিয়ে এখন পর্যন্ত তার নামের পাশে রয়েছে দুটি গোল এবং তিনটি অ্যাসিস্ট।
দলের কোচ জোসে মরিনিও দিওমান্দে সম্পর্কে দৃঢ় বিশ্বাস ব্যক্ত করে জানিয়েছেন যে, সময়ের সঙ্গে সঙ্গে সে আরও বেশি পরিপক্ব হয়ে উঠবে। কোচের ভাষায়, তার উন্নতির প্রচুর সুযোগ রয়েছে এবং বয়স কম হওয়ায় সে কিছুটা অপরিণত ও পুরোপুরি প্রস্তুত নয়, তবে সে চমৎকার খেলছে এবং ক্রমাগত উন্নতি করে চলেছে।
রিয়াল মাদ্রিদে পা রাখার আগেই নিজের অসাধারণ প্রতিভার জোরালো প্রমাণ দিয়ে রেখেছিলেন এই ফুটবলার। স্পেনের ক্লাব লেগানেসে পেশাদার ফুটবলে নিজের যাত্রা শুরু করার পর জার্মানির লাইপজিগে অত্যন্ত চমৎকার একটি মৌসুম কাটিয়েছেন তিনি।
জার্মান ক্লাবটির হয়ে সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে ৩৬টি ম্যাচ খেলে ১৩টি গোল করার পাশাপাশি সতীর্থদের দিয়ে আটটি গোল করিয়েছেন দিওমান্দে। তার এই নান্দনিক পারফরম্যান্সের ওপর ভর করেই পরবর্তী সময়ে উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগে খেলার যোগ্যতা অর্জন করেছিল লাইপজিগ।
এছাড়া বুন্দেসলিগায় দুর্দান্ত প্রদর্শনী উপহার দিয়ে বর্ষসেরা নবীন খেলোয়াড়ের মর্যাদাপূর্ণ স্বীকৃতিও অর্জন করেছিলেন এই উদীয়মান তরুণ তারকা।