
নিজস্ব প্রতিবেদক মুক্ত কণ্ঠস্বর
সোমবার দুপুরে রবিউলের বাড়িতে গিয়ে দেখা যায়, অটোরিকশা চালিয়ে নিজগৃহে ফিরেছেন তিনি। এ সময় নিজহাতে সন্তানকে খাবার খাওয়াচ্ছিলেন রবিউল। খাওয়া শেষ হলে বাবা ও ছেলে একসঙ্গে গোসল সারেন। অত্যন্ত জীর্ণশীর্ণ একটি ছোট ছাপড়া টিনের ঘরে বসবাস করেন রবিউল। নিজের মালিকানাধীন কোনো বসতবাড়ি কিংবা এক টুকরো জমিও তাঁর নেই। খালাতো ভাইয়ের ছেলের দুটি ভাঙাচোরা টিনের ঘরের একটিতে ছোট্ট শিশুকে সঙ্গে নিয়ে দিনাতিপাত করছেন তিনি।
এ বিষয়ে কথা বলতে চাইলে রবিউল ইসলাম জানান, বিগত অনেক দিন ধরে তিনি একটি সরিষার তেলের মিলে শ্রমিকের কাজ করতেন। পরবর্তীতে ওই মিলটি বন্ধ হয়ে যাওয়ায় পরিবারের ব্যয় নির্বাহ করতে তিনি বাধ্য হয়ে অটোরিকশা চালানো শুরু করেন। নিজের মায়ের কাছ থেকে পাওয়া উত্তরাধিকার সূত্রে প্রাপ্ত আধা কাঠা জমি বিক্রি করে প্রাপ্ত ৮০ হাজার টাকা দিয়ে তিনি অটোরিকশাটি ক্রয় করেন।
অটোরিকশা চালিয়ে প্রতিদিন তাঁর দৈনিক আয় হতো ৮০০ থেকে ১ হাজার টাকা পর্যন্ত। এই সামান্য আয় দিয়েই তাঁর সংসার বেশ ভালোভাবেই চলছিল। তবে গত ৫ মে তারিখে হঠাৎ করেই তাঁর স্ত্রী তাঁকে ছেড়ে চলে গেলে সামগ্রিক পরিস্থিতি সম্পূর্ণ পাল্টে যায়।