
নিজস্ব প্রতিবেদক মুক্ত কণ্ঠস্বর
২০২৪ সালের ঐতিহাসিক গণ-অভ্যুত্থানের পরও ড. ইউনূসের অন্তর্বর্তীকালীন সরকার দেশের তীব্র বিদ্যুৎ সংকট নিরসনে কোনো সুনির্দিষ্ট বা ফলপ্রসূ পদক্ষেপ গ্রহণে সম্পূর্ণ ব্যর্থ হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন মো. শাহজাহান।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত বিএনপির অন্যান্য শীর্ষস্থানীয় নেতৃবৃন্দ আরও জোরালো ভাষায় অভিযোগ করেন যে, ২০০৯ সালের পরবর্তী সময়গুলোতে কাগজে-কলমে বিদ্যুৎ উৎপাদনের সার্বিক সক্ষমতা প্রায় পাঁচ গুণ বৃদ্ধি পেলেও, বাস্তবিক ক্ষেত্রে উৎপাদন কেবল তিন গুণের কাছাকাছি বেড়েছে। অথচ একই সময়ে গ্রাহকদের বহন করতে বাধ্য করা বিদ্যুতের ভাড়াসহ বিভিন্ন ধরনের চার্জ অস্বাভাবিকভাবে ১৬ গুণ পর্যন্ত বাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে।
নেতৃবৃন্দ তাদের বক্তব্যে দেশের গ্যাস খাতের ভয়াবহ চিত্র তুলে ধরে আরও জানান যে, ২০১৭ সালে যেখানে প্রতিদিন গ্যাসের মোট উৎপাদন ছিল প্রায় ২৭০ কোটি ঘনফুট, তা বর্তমান সময়ে আশঙ্কাজনকভাবে কমে মাত্র ১৬২ ঘনফুটে নেমে এসেছে।
বর্তমানে দেশজুড়ে গ্যাসের মোট চাহিদার পরিমাণ প্রায় ৩৮০ কোটি ঘনফুট হলেও এর বিপরীতে সরবরাহ করা হচ্ছে মাত্র ২৭০ কোটি ঘনফুট গ্যাস। যার মধ্যে একাই প্রায় ২১০ কোটি ঘনফুট গ্যাস খরচ হয়ে যায় শুধুমাত্র বিভিন্ন বিদ্যুৎকেন্দ্রের উৎপাদনে।
পরিশেষে, আয়োজিত উক্ত সমাবেশে উপস্থিত বিভিন্ন বক্তারা বিগত ২০২২ সাল থেকে শুরু করে ২০২৫ সাল পর্যন্ত সময়কালের ধারাবাহিক লোডশেডিংয়ের প্রকৃত চিত্র বিস্তারিতভাবে তুলে ধরেন।