
নিজস্ব প্রতিবেদক মুক্ত কণ্ঠস্বর
হাতিখলা গ্রামে এক বছর আগে নূর চানের ছেলে কাওছারের সঙ্গে নাদিয়ার বিয়ে সম্পন্ন হয়েছিল। পুলিশ ও নিহতের পরিবারের সদস্যদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, বিয়ের সূর্যালোক থেকেই নাদিয়া তার শ্বশুরবাড়িতে নানা ধরনের নির্যাতনের মুখোমুখি হতেন এবং বিষয়টি তিনি নিজের মা-বাবাকে জানিয়েছিলেন। যদিও সেই সময়ে নাদিয়ার মা-বাবা তাকে পারিবারিক পরিবেশের সঙ্গে মানিয়ে নেওয়ার জন্য বুঝেশুনে চলার পরামর্শ দিয়েছিলেন।
নিহতের মা ময়ফুল বানু পুরো ঘটনার বর্ণনা দিয়ে জানান যে, বুধবার দুপুর নাগাদ নাদিয়া তাকে ফোন করে জানিয়েছিল কিছুক্ষণের মধ্যেই সে তাদের পৈতৃক বাড়িতে ফিরে আসবে। এরপর ওই দিন রাত আটটার দিকে মেয়েজামাই কাওছারের একজন আত্মীয় ফোন করে নাদিয়ার মৃত্যুর সংবাদটি তাদের জানান।
খবর পেয়ে রাত নয়টার দিকে নাদিয়ার পরিবার দ্রুত তার শ্বশুরবাড়িতে পৌঁছায় এবং সেখানে মেঝেতে নাদিয়ার মরদেহ পড়ে থাকতে দেখতে পায়। সেই সময়ে আশপাশের বহু মানুষের উপস্থিতি লক্ষ্য করা গেলেও নাদিয়ার স্বামী কাওসার এবং তার পরিবারের অন্য কোনো সদস্যকে সেখানে পাওয়া যায়নি, তারা সবাই বাড়ি ছেড়ে পালিয়ে যান। পরবর্তীতে পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার করে নিজেদের হেফাজতে নিয়ে থানায় চলে যায়।