
নিজস্ব প্রতিবেদক মুক্ত কণ্ঠস্বর
বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের অধীনে ফ্লাইট ম্যানেজমেন্ট বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত স্কোয়াড্রন লিডার সাকিব চৌধুরী একটি গুরুত্বপূর্ণ তথ্য প্রকাশ করেছেন। তাঁর দেওয়া সেই হিসাব অনুযায়ী, দেশটির অপারেশনাল সংক্রান্ত বিভিন্ন কড়াকড়ির ফলে সরাসরি চলাচলকারী বহু বিমান নির্ধারিত সময়ে যাতায়াত করতে পারছে না।
প্রভাবিত হওয়া সরাসরি বিমানগুলোর মধ্যে আমাদের জাতীয় পতাকাবাহী প্রতিষ্ঠান বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের মোট সাতাশটি ট্রিপ রয়েছে। এ ছাড়াও বেসরকারি খাতের ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের দশটি এবং বিদেশি সংস্থার মধ্যে সৌদিয়া এয়ারলাইনসের উনিশটি ও রিয়াদ এয়ারের দশটি বিমান এই জটিলতার মুখে পড়েছে।
অপরদিকে, যাত্রাপথে বিরতি দিয়ে চলাচলকারী বা ট্রানজিট বিমানগুলোর ক্ষেত্রেও একই ধরনের বাধার সৃষ্টি হয়েছে। এই তালিকায় ভারতের ইন্ডিগো কোম্পানির আঠারোটি বিমান রয়েছে।
একই সঙ্গে মধ্যপ্রাচ্যের সুপরিচিত প্রতিষ্ঠান এমিরেটসের চোদ্দোটি এবং কাতার এয়ারওয়েজের নয়টি বিমান শিটম বিপর্যয়ের শিকার হয়েছে।
তালিকায় আরও রয়েছে ওমানের সালামএয়ারের সাতটি এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতের ফ্লাইদুবাইয়ের আটটি বিমান।
এছাড়াও এয়ার ইন্ডিয়ার ছয়টি এবং আফ্রিকান দেশ মিসরের ইজিপ্টএয়ারের একটিমাত্র বিমান এই নিষেধাজ্ঞার আওতায় পড়ে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নির্দিষ্ট কিছু নিয়মনীতি ও অপারেশনাল বিধিনিষেধ কার্যকর থাকায় এই সমস্ত যানের স্বাভাবিক চলাচল মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে।
এর ফলে বিদেশগামী সাধারণ যাত্রীদের নির্ধারিত ভ্রমণ পরিকল্পনা এলোমেলো হয়ে পড়েছে এবং তাদের চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।
এই বিশৃঙ্খল পরিস্থিতিতে সংশ্লিষ্ট বিমানযাত্রীদের প্রতি একটি বিশেষ পরামর্শ দিয়েছে কতৃপক্ষ।
তাদেরকে নিজ নিজ বিমান সংস্থার কার্যালয় বা কাউন্টারে যোগাযোগ করার কথা বলা হয়েছে।
ভ্রমণের উদ্দেশ্যে ঘর থেকে বের হওয়ার পূর্বে বিমানের সর্বশেষ হালনাগাদ সময়সূচি সম্পর্কে পুরোপুরি নিশ্চিত হওয়ার তাগিদ দেওয়া হয়েছে।