
নিজস্ব প্রতিবেদক মুক্ত কণ্ঠস্বর
ভৈরব থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মাহবুবুর রহমানের বিরুদ্ধে বাড়ি ও দোকানপাট ভাঙচুর ও লুটপাটের একটি ঘটনা ধামাচাপা দেওয়ার উদ্দেশ্যে বিকাশ নম্বরে ঘুষ গ্রহণের গুরুতর অভিযোগ উঠেছে।
ভুক্তভোগী মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল লতিফ মিয়া গণমাধ্যমকে জানান, তাঁদের জখমী ও দখলে থাকা বাড়ি এবং দোকানপাটে সংঘটিত ভাঙচুর ও লুটপাটের বিষয়ে প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ নিতে তাঁরা থানায় অভিযোগ নিয়ে গিয়েছিলেন।
কিন্তু ভৈরব থানার ওসি মো. মাহবুবুর রহমান সেই অভিযোগ গ্রহণ করতে সম্পূর্ণ অস্বীকৃতি জানান। অভিযোগ রয়েছে, প্রতিপক্ষ দলের মুর্শেদ মিয়া ও তাঁর সহযোগীরা থানা-পুলিশ যেন ঘটনাস্থলে কোনোভাবেই উপস্থিত না হয়, সেই উদ্দেশ্যে ওসির সঙ্গে আগে থেকেই যোগাযোগ করেছিলেন।
পরিকল্পনার অংশ হিসেবে গত নির্দিষ্ট দিনে বিকেল ৪টা ১২ মিনিটে অভিযুক্ত মুর্শেদ মিয়ার ব্যবহৃত নম্বর থেকেই ওসির ব্যক্তিগত মোবাইল নম্বরে ৩০ হাজার টাকা পাঠানো হয় বলে অভিযোগে প্রকাশ পায়।
ওসি কার্যালয়ে দিনের পর দিন ঘুরেও মামলা বা কোনো আইনি সহায়তা না পেয়ে শেষ পর্যন্ত বাধ্য হয়ে কিশোরগঞ্জ আদালতে গিয়ে প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন ভুক্তভোগী মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল লতিফ মিয়া।
এদিকে এই চাঞ্চল্যকর অভিযোগের বিষয়ে বক্তব্য জানতে ভৈরব থানার ওসি মো. মাহবুবুর রহমানের ব্যক্তিগত মোবাইল ফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি কোনো সাড়া দেননি।