
নিজস্ব প্রতিবেদক মুক্ত কণ্ঠস্বর
বাইরের দোকান থেকে স্যালাইন কেন কিনতে হলো এক রোগীকে, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী। গাইনি ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন ওই রোগীর কাছ থেকে বিষয়টি জানার পর মন্ত্রী তাৎক্ষণিকভাবে হাসপাতাল কর্র্তৃপক্ষকে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের নির্দেশ দেন। শুধু নির্দেশনা দিয়েই ক্ষান্ত হননি তিনি, বরং নিজ পকেট থেকে ওই রোগীকে স্যালাইন কেনার জন্য এক হাজার টাকা আর্থিক সহায়তা প্রদান করেন।
হাসপাতালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডের ঘটনার এক মাস অতিবাহিত হয়ে গেলেও এখনো তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়া হয়নি কেন, সে বিষয়ে কৈফিয়ত তলব করেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী। মন্ত্রীর এই প্রশ্নের জবাবে হাসপাতাল কর্র্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে জানানো হয় যে, মূলত ছুটির দিনগুলোর জন্যই তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিতে কিছুটা বিলম্ব ঘটেছে।
এর আগে নির্ধারিত কোনো পূর্বসূচি ছাড়াই সকালের দিকে আকস্মিক পরিদর্শনের অংশ হিসেবে জেলার ফুলপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে উপস্থিত হন স্বাস্থ্যমন্ত্রী। একই দিন তিনি তারাকান্দা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সও হুট করে পরিদর্শন করেন এবং সামগ্রিক পরিস্থিতি স্বচক্ষে পর্যবেক্ষণ করেন।
এ সময় স্থানীয় পর্যায়ে চিকিৎসাসেবার মান আরও উন্নত করার পাশাপাশি বিভিন্ন অবকাঠামোগত উন্নয়নের নানা ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার কথা উপস্থিত সবার সামনে তুলে ধরেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী।
সূত্র: আজকের পত্রিকা