
নিজস্ব প্রতিবেদক মুক্ত কণ্ঠস্বর
আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কড়া ও কঠোর নিরাপত্তার বলয়ের মধ্যে চিরনিদ্রায় শায়িত হলেন দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর মামলার বাদী মানিক পশারী। মধ্যরাতে সম্পন্ন হওয়া এই অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ায় নিহতের স্ত্রী ও সন্তানসহ নিকটাত্মীয়রা উপস্থিত ছিলেন।
রাত আনুমানিক ১২টার দিকে পিরোজপুর সদর থানা পুলিশের একটি দল জেলা জামায়াতে ইসলামীর শীর্ষস্থানীয় নেতাদের সক্রিয় সহযোগিতায় মৃত ব্যক্তির মরদেহ তাঁর নিজ বাড়িতে নিয়ে আসে। এর ঠিক এক ঘণ্টা পর, অর্থাৎ রাত ১টার দিকে স্থানীয় কবরস্থানে দাফন প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ করা হয়।
এ বিষয়ে পিরোজপুর জেলা জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি আব্দুর রাজ্জাক স্পষ্ট করে জানান যে, মানিক পশারীর মরদেহ দাফন করার কার্যক্রমে তাদের দলের বা অঙ্গসংগঠনের কোনো স্তরের নেতাকর্মী বিন্দুমাত্র প্রতিবন্ধকতা তৈরি করেননি।
তিনি আরও যোগ করেন, জামায়াতে ইসলামী কখনোই মরদেহের অবমূল্যায়ন বা লাশের রাজনীতিতে বিশ্বাস করে না। এই আদর্শের জায়গা থেকেই তারা পিরোজপুর সদর থানাকে পূর্ণাঙ্গ সহায়তা প্রদান করেছেন যাতে দাফনকাজটি নির্বিঘ্নে শেষ হতে পারে।
অন্যদিকে, পিরোজপুর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শরিফুল ইসলাম সংবাদমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন যে, পুরো দাফন অনুষ্ঠানটি সম্পন্ন হয়েছে পুলিশের অত্যন্ত নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তার তত্ত্বাবধানে।
ওসি শরিফুল ইসলাম আরও জানান, সম্ভাব্য যেকোনো ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি এড়াতে এবং আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে মৃত ব্যক্তির কবরের পার্শ্ববর্তী এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ সদস্য মোতায়েন রাখা হয়েছিল।
সূত্র: আজকের পত্রিকা