
নিজস্ব প্রতিবেদক মুক্ত কণ্ঠস্বর
জাতীয় সংসদের স্পিকারের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন ঢাকায় নিযুক্ত সুইডেনের রাষ্ট্রদূত নিকোলাস উইকস। এই দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে দুই দেশের স্বার্থসংশ্লিষ্ট নানা বিষয়ের পাশাপাশি উঠে আসে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া ও রাষ্ট্র পরিচালনার বিভিন্ন প্রসঙ্গ।
বৈঠকের শুরুতে স্পিকার বর্তমান রাজনৈতিক পটপরিবর্তন ও ছাত্র-জনতার ভূমিকা তুলে ধরেন। তিনি উল্লেখ করেন যে, চব্বিশের ঐতিহাসিক গণঅভ্যুত্থানের হাত ধরে এ দেশের সাধারণ মানুষ ও ছাত্রসমাজ দীর্ঘদিনের স্বৈরাচারী শাসনের চূড়ান্ত পতন ঘটিয়েছে।
ভোটারদের অধিকার ও সংসদীয় গণতন্ত্র নিয়ে কথা বলতে গিয়ে স্পিকার জানান, বাংলাদেশের নাগরিকেরা তাদের স্বাধীন ইচ্ছার প্রতিফলন ঘটিয়ে নিজেদের পছন্দের রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীকে ভোট দিয়ে নির্বাচিত করেন।
তিনি আরও যোগ করেন যে, এ দেশের ভোটাররা তাদের সাংবিধানিক ও গণতান্ত্রিক ভোটাধিকার যথাযথভাবে প্রয়োগ করার মাধ্যমে সংসদীয় গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করার ক্ষেত্রে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রভাবকের ভূমিকা পালন করে থাকেন।
অন্যদিকে, বাংলাদেশের স্পিকারের সঙ্গে আলাপকালে সুইডেনের রাজনৈতিক কাঠামো ও নির্বাচনী ব্যবস্থার বিস্তারিত তুলে ধরেন রাষ্ট্রদূত নিকোলাস উইকস। তিনি জানান, সুইডিশ পার্লামেন্টে সর্বমোট তিনশ উনপঞ্চাশটি আসন রয়েছে।
রাষ্ট্রদূত ব্যাখ্যা করেন যে, সুইডেনের পার্লামেন্ট সদস্য বা আইনপ্রণেতারা দেশের সাধারণ মানুষের সরাসরি ভোটের মাধ্যমে চার বছর মেয়াদের জন্য নির্বাচিত হয়ে থাকেন।
শাসনপদ্ধতি সম্পর্কে তিনি স্পষ্ট করেন যে, সুইডেন আনুষ্ঠানিকভাবে একটি সাংবিধানিক রাজতন্ত্র হিসেবে পরিচিত হলেও, বাস্তবে রাষ্ট্র পরিচালনার সমস্ত রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক ক্ষমতা দেশটির পার্লামেন্ট এবং সরকারের ওপর পুরোপুরি ন্যস্ত থাকে।
সূত্র: আজকের পত্রিকা