
নিজস্ব প্রতিবেদক মুক্ত কণ্ঠস্বর
ফসল ফলানোর ক্ষেত্রে রাসায়নিক উপাদানের মাত্রাতিরিক্ত প্রয়োগ ভূমি ও প্রকৃতির জন্য অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে বলে মন্তব্য করেছেন কৃষি মন্ত্রী। তিনি উল্লেখ করেন যে, মাটির সঠিক চাহিদা যাচাই করে পরিমিত পুষ্টি উপাদান প্রয়োগের পাশাপাশি সঠিক কৃষিপদ্ধতি বজায় রাখা আবশ্যক।
কৃষি খাতের নানা উপকরণ ও বিষাক্ত দ্রব্যাদি প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রতি কঠোর নির্দেশনা দিয়ে তিনি জানান, তাদের অবশ্যই যথাযথ মান বজায় রেখে সামগ্রী তৈরি করতে হবে এবং নির্ধারিত আইনগত নীতিমালা কঠোরভাবে মেনে চলতে হবে।
প্রাণিসম্পদ খাতের বিশেষ করে পোলট্রি ক্ষেত্রের কথা উল্লেখ করে মন্ত্রী সতর্ক করেন যে, হাঁস-মুরগির খাবারে চিকিৎসায় ব্যবহৃত জীবাণুনাশকের মাত্রাতিরিক্ত প্রয়োগ এবং বর্জ্য নিষ্কাশন প্রক্রিয়া নিবিড় পর্যবেক্ষণের আওতায় আনা জরুরি।
এই বিষয়ে কেবল সরকারি তদারকিই যথেষ্ট নয়, বরং এর সাথে সংশ্লিষ্ট সকল মহণকে সমানভাবে সচেতন ও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করার আহ্বান জানান তিনি।
খাদ্যদ্রব্য প্রস্তুতের আদি পর্যায় থেকে শুরু করে তা ক্রেতার কাছে পৌঁছানোর চূড়ান্ত বিপণন ধাপ পর্যন্ত প্রতিটি স্তরে গুণগত মান বজায় রাখার তাগিদ দেন তিনি।
উক্ত আলোচনা সভার আয়োজক কমিটির প্রধান ড. মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম এতে সভাপতিত্ব করেন এবং অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইনডিপেনডেন্ট ইউনিভার্সিটির প্রধান নির্বাহী অধ্যাপক ড. ম. তামিম এবং জামালপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান নির্বাহী অধ্যাপক ড. মো. আমির হোসেন।
এছাড়াও উক্ত সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের শীর্ষ কর্মকর্তা মো. শফিকুল ইসলাম, মৎস্য অধিদপ্তরের প্রধান নির্বাহী মো. খালেদ কনক এবং কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উদ্ভিদ সংরক্ষণ উইংয়ের প্রধান ড. মোহাম্মদ এনায়েত-ই-রাব্বি।
সূত্র: আজকের পত্রিকা