
নিজস্ব প্রতিবেদক মুক্ত কণ্ঠস্বর
গত শুক্রবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে নিজের অফিশিয়াল ফেসবুক পেজ থেকে পরপর দুটি বিস্ফোরক পোস্ট দেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) আরিফুর রহমান। তাঁর প্রথম ফেসবুক পোস্টে উল্লেখ করা হয়, ‘আমার মৃত্যুর জন্য শিল্পী রাণী মোদক (ইউএনও) দায়ী থাকবে।’ এরপর দ্বিতীয় পোস্টে তিনি লেখেন, ‘আই রিজাইন ফ্রম অ্যাডমিন ক্যাডার।’
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এই আকস্মিক পোস্ট দুটি দ্রুত ছড়িয়ে পড়ার পর চারদিকে ব্যাপক আলোচনা ও তীব্র সমালোচনার সৃষ্টি হয়। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শিল্পী রাণী মোদক এবং স্থানীয় পুলিশসহ সংশ্লিষ্ট দায়িত্বশীল ব্যক্তিরা দ্রুত ঘটনাস্থলে ছুটে যান।
ইউএনও জানান, ওই কর্মকর্তা সে সময় তাঁর বাসায় অবস্থানরত একজন আনসার সদস্যকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করেন এবং ঘরের টেবিলের কাচ ভাঙচুর করেন। এরপর গভীর রাতে তাঁকে প্রথমে সিলেটের একটি স্থানীয় বেসরকারি হাসপাতালে এবং পরবর্তীতে উন্নত চিকিৎসার জন্য সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।
চিকিৎসকদের বিশেষ পরামর্শক্রমে তাঁর স্ত্রীসহ পরিবারের অন্যান্য সদস্যরা শনিবার সকালে তাঁকে এয়ার অ্যাম্বুলেন্স বা অন্য মাধ্যমে ঢাকার একটি বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে যান।
ইউএনও শিল্পী রাণী মোদক আরও জানান, গত শুক্রবার তাঁর তিন বছরের ছোট্ট মেয়ের জন্মদিন উদযাপিত হয়েছিল। ওই অনুষ্ঠানে আরিফুর রহমান সস্ত্রীক উপস্থিত থেকে কেক কাটেন। কেক কাটার উৎসব শেষে তাঁরা বাসা থেকে বের হয়ে যান এবং এর কিছু সময় পরই রাত সাড়ে ১০টার দিকে ফেসবুকে ওই বিতর্কিত পোস্টগুলো দেন। এই ঘটনাটি এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে।
সূত্র: আজকের পত্রিকা