
নিজস্ব প্রতিবেদক মুক্ত কণ্ঠস্বর
রাষ্ট্রপতি সম্প্রতি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে এক গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য প্রদান করেছেন। এ সময় তিনি গুরুজন ও শিক্ষকদের প্রতি পূর্ণ শ্রদ্ধা প্রদর্শনের পাশাপাশি নিজেদের জীবন গঠনে বাবা-মায়ের আত্মত্যাগের দিকটি স্মরণ রাখার ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন। তিনি তরুণ সমাজকে পরামর্শ দিয়ে বলেন যে, বাবা-মা, শিক্ষক এবং মুরুব্বিদের সবসময় যথাযথ সম্মান প্রদর্শন করতে হবে।
তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, শিক্ষার্থীরা যদি নিজেদের সুশিক্ষিত এবং সুনাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে সক্ষম হয়, তবে তা কেবল বাবা-মায়ের লালিত স্বপ্নই বাস্তবায়ন করবে না, বরং এর মাধ্যমে জাতির সামগ্রিক প্রত্যাশাও সফলভাবে পূরণ হবে।
রাষ্ট্রপতি বঙ্গভবনের ঐতিহাসিক গুরুত্ব তুলে ধরে বলেন যে, এই স্থাপনাটি কেবল একটি সাধারণ ভবন নয়, এটি মূলত আমাদের রাষ্ট্রের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতীক এবং ইতিহাসের নীরব সাক্ষী।
ভবিষ্যতের পরিকল্পনা সম্পর্কে তিনি জানান যে, পর্যায়ক্রমে দেশের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের বঙ্গভবন পরিদর্শনে নিয়ে আসার উদ্যোগ নেওয়া হবে। তরুণদের মাঝে রাষ্ট্র, বঙ্গভবন এবং আগামী দিনের নেতৃত্ব নিয়ে যেন গভীর আগ্রহ সৃষ্টি হয়, মূলত সেই উদ্দেশ্যেই আজকের এই পরিদর্শনের আয়োজন করা হয়েছে বলে তিনি জানান।
বর্তমান যুগের বাস্তবতার কথা উল্লেখ করে রাষ্ট্রপতি শিক্ষার্থীদের আধুনিক তথ্যপ্রযুক্তির সঙ্গে পরিচিত হওয়ার তাগিদ দেন। তিনি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিগত শিক্ষায় পূর্ণ দক্ষতা অর্জন করে দেশের কল্যাণে নতুন নতুন উদ্ভাবনী কার্যক্রমে এগিয়ে আসার জন্য তাদের প্রতি উদাত্ত আহ্বান জানান।
উল্লেখ্য, শিক্ষার্থীদের সঙ্গে এই সৌজন্য সাক্ষাৎ ও মতবিনিময় অনুষ্ঠানে বঙ্গভবনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন। এ সময় অন্যান্যের মধ্যে রাষ্ট্রপতির সচিব এবং প্রেস সচিবও সেখানে উপস্থিত থেকে পুরো অনুষ্ঠানটি সম্পন্ন করতে সহযোগিতা করেন।
সূত্র: আজকের পত্রিকা