
নিজস্ব প্রতিবেদক মুক্ত কণ্ঠস্বর
দ্বীপ অঞ্চলের প্রাকৃতিক পরিবেশ রক্ষা এবং পর্যটন ব্যবস্থাপনা সুশৃঙ্খল করতে সংশ্লিষ্ট কয়েকটি সরকারি দপ্তরে চিঠি পাঠানো হয়েছে। এর মধ্যে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়, নৌপরিবহন মন্ত্রণালয় এবং পরিবেশ অধিদপ্তর রয়েছে। এছাড়া কক্সবাজার জেলা প্রশাসন, বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ড, পুলিশ সুপার ও ট্যুরিস্ট পুলিশকেও কার্যকর পদক্ষেপ নিতে বলা হয়েছে।
আসন্ন ১ নভেম্বর থেকে টেকনাফ ও কক্সবাজার থেকে সেন্ট মার্টিন রুটে জলযান পরিচালনার প্রস্তুতি নিয়েছেন ব্যবসায়ীরা। এ খাতের উদ্যোক্তারা ইতিমধ্যে সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছেন।
নৌযান পরিচালনাকারী সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক হোসাইনুল ইসলাম বাহাদুর সংবাদমাধ্যমকে জানান, পরিবেশগত ছাড়পত্র ও সরকারি চিঠিপত্রের প্রক্রিয়া কিছুটা বিলম্বিত হওয়ায় নৌরুটের আনুষ্ঠানিক অনুমতি পেতে দেরি হচ্ছে। তবে দ্রততম সময়ের মধ্যে এই অনুমতি সংগ্রহ করতে তারা কাজ করে যাচ্ছেন।
তিনি আরও উল্লেখ করেন, আগের বছর এই রুটে নিয়মিত সাতটি জলযান চলাচল করেছিল। তবে এবার পর্যটক যাতায়াতের পরিধি ও অনুমতি বেশি পাওয়ার সম্ভাবনা থাকায় জলযানের সংখ্যা বাড়তে পারে। সব মিলিয়ে এবারের মৌসুমে অন্তত দশটি জলযান সাগরে নামতে পারে বলে আশা করা হচ্ছে।
সূত্র: আজকের পত্রিকা