
নিজস্ব প্রতিবেদক মুক্ত কণ্ঠস্বর
ঘটনার পর নওগাঁর বদলগাছী উপজেলার নির্দিষ্ট এলাকার কিছু স্থানীয় মানুষ তাঁদের নিজ এলাকায় ভাড়া বাসায় অবস্থান করার বিষয়ে তীব্র আপত্তি প্রকাশ করেন। পরবর্তীতে গত সোমবার ছাব্বিশে অক্টোবর সন্ধ্যা আনুমানিক সাড়ে ছয়টার টার দিকে নিজের বসতঘরের যাবতীয় আসবাবপত্র ও দুই স্ত্রীকে সঙ্গে নিয়ে মহাদেবপুর থানার অন্তর্গত শ্বশুরবাড়ির উদ্দেশ্যে রওনা দেন মাসুদ রানা।
যদিও সেখানে পৌঁছানোর পরও তাঁকে নানা ধরনের বিরোধ ও জটিলতার মুখে পড়তে হয় বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। ওই দিন সোমবার রাতে প্রায় দশটার দিকে মহাদেবপুর উপজেলার মাতাজি বিরামগ্রাম এলাকায় গিয়ে পৌঁছালে স্থানীয় লোকজনের একটি অংশ অত্যন্ত ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেন।
এই ধরনের বৈবাহিক সম্পর্ক সমাজব্যবস্থা এবং নতুন প্রজন্মের ওপরে মারাত্মক ক্ষতিকর প্রভাব ফেলতে পারে—এই সুনির্দিষ্ট যুক্তির ভিত্তিতে অভিযুক্ত মাসুদ রানার মুখমণ্ডলে চুন ও কালি মেখে দেওয়া হয়। শুধু তাই নয়, এর মাধ্যমে তাঁকে জোরপূর্বক এলাকা ত্যাগ করতে বাধ্য করা হয়েছে বলেও সুনির্দিষ্ট অভিযোগ উত্থাপন করা হয়েছে।
এ সমস্ত ঘটনার প্রেক্ষাপটে নিজের অবস্থান পরিষ্কার করে মাসুদ রানা গণমাধ্যমের কাছে জানান যে, তাঁর প্রথম স্ত্রী পূর্ণিমার যদি অন্য কোথাও আনুষ্ঠানিকভাবে বিয়ে হয়ে যেত, তবে অতীতে তাঁদের দু'জনের যৌথভাবে তৈরি করা কিছু টিকটক ভিডিও নিয়ে তাঁকে নানা ধরনের হয়রানির শিকার হতে হতো।
এমনকি সেই ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি তৈরি হওয়ার আশঙ্কা থেকেই মূলত তিনি গভীরভাবে আতঙ্কিত ছিলেন। আর ঠিক এই নির্দিষ্ট কারণেই প্রথম স্ত্রীর সম্পূর্ণ সম্মতি ও অনুমতিক্রমে তিনি তাঁর নিজের শ্যালিকাকে বিয়ে করতে বাধ্য হয়েছেন বলে জোরালো দাবি করেন তিনি।
সূত্র: আজকের পত্রিকা