
নিজস্ব প্রতিবেদক মুক্ত কণ্ঠস্বর
স্বজনদের কোল খালি করে চিরতরে হারিয়ে যাওয়া তারেক সময়মতো ঘরে না ফেরায় থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেছিল তার পরিবার। এই নিখোঁজের ঘটনাটি কেন্দ্র করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী মোবাইল ট্র্যাকিংয়ের মাধ্যমে অনুসন্ধান শুরু করে এবং একপর্যায়ে সাহেলকে আটক করে।
আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সাহেল বন্ধুকে খুনের বিষয়টি অকপটে স্বীকার করেছেন বলে তথ্য পাওয়া গেছে। আটক ব্যক্তির দেওয়া তথ্য যাচাই করে পুলিশ মঙ্গলবার রাতে নবীগঞ্জ ও লাখাই থানার যৌথ টিম নিয়ে একটি জলাশয় থেকে মরদেহটি উদ্ধার করে।
লাখাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শরীফ আহমেদ হত্যাকাণ্ডের সত্যতা নিশ্চিত করে জানান যে, নিহতের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে প্রেরণের ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। একই সঙ্গে এই মর্মান্তিক হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা হিসেবে মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া বর্তমানে চলমান রয়েছে।
সূত্র: আজকের পত্রিকা