
নিজস্ব প্রতিবেদক মুক্ত কণ্ঠস্বর
বিমানে ভ্রমণের সময় কিছু সুনির্দিষ্ট নিয়ম ও শিষ্টাচার মেনে চলা অত্যন্ত জরুরি, যা আপনার ও অন্য যাত্রীদের সফরকে আরও আরামদায়ক করে তুলতে পারে। বিমানবন্দর ও ক্যাবিনের ভেতরে শৃঙ্খলা বজায় রাখতে এবং অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি এড়াতে এই নির্দেশিকাগুলো মেনে চলা উচিত।
বোর্ডিংয়ের সময় গেটের কাছে অপ্রয়োজনে ভিড় জটলা করা থেকে বিরত থাকা বুদ্ধিমানের কাজ। এর পরিবর্তে একটু ধৈর্য ধরে সারির একেবারে শেষ পর্যায়ে বিমানে ওঠাই শ্রেয়।
ওভারহেড বিন বা ওপরের তাকের জায়গায় সাশ্রয় করতে সেখানে কোনোভাবেই ছোট ব্যাগ কিংবা অতিরিক্ত জ্যাকেট রাখা উচিত নয়।
যাঁরা ছোট শিশুদের সঙ্গে নিয়ে আকাশপথে ভ্রমণ করছেন, তাঁদের জন্য শেষ দিকের যাত্রীদের সঙ্গেই বিমানে আরোহণ করা তুলনামূলকভাবে বেশ সুবিধাজনক হয়।
সহযাত্রী যদি কখনো আপনার সিটটি বদল করার কোনো অনুরোধ জানান, তবে সেটিতে বিনীতভাবে ‘না’ বলার পূর্ণ অধিকার আপনার রয়েছে।
বিমানের সিটের পিঠ সামান্য পেছনের দিকে হেলিয়ে রাখা স্বাভাবিক হলেও, ঠিক খাওয়ার সময় কিংবা যখন পেছনের যাত্রী কোনো জরুরি কাজ করছেন, তখন সিট পেছনে হেলানো থেকে অবশ্যই বিরত থাকতে হবে।
দুই সারির ঠিক মাঝখানের সিটটিতে যিনি বসেছেন, তাঁকে উভয় পাশের আর্মরেস্ট বা হাত রাখার স্থানটি ব্যবহার করার সুযোগ দেওয়া উচিত।
যাত্রাকালীন নিরাপদে থাকতে আপনি যখন সিটেই বসে থাকবেন, তখন সবসময় সিটবেল্ট পরিধান করে রাখা বাধ্যতামূলক।
ব্যক্তিগত ইলেকট্রনিক ডিভাইস যেমন মোবাইল ফোন কিংবা ল্যাপটপে কোনো গান শোনা বা সিনেমা দেখার সময় অবশ্যই হেডফোন ব্যবহার করা আবশ্যক।
ফ্লাইটের ভেতরে কখনোই উচ্চ স্বরে কোনো ভয়েস কল বা ভিডিও কলে কথা বলা যাবে না।
অন্যান্য সহযাত্রীদের সঙ্গে আলাপচারিতা করার সময় নিজের গলার স্বর সব সময় নিচু ও সংযত রাখা উচিত।
সূত্র: আজকের পত্রিকা