
নিজস্ব প্রতিবেদক মুক্ত কণ্ঠস্বর
গ্রাফিকস ডিজাইনের কাজ সম্পন্ন করার পরেও নির্ধারিত পারিশ্রমিক না পাওয়ার গুরুতর অভিযোগ উঠেছে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (রাকসু) সাবেক এক সম্পাদকের বিরুদ্ধে। এই পুরো ঘটনার প্রেক্ষাপট ব্যাখ্যা করে ভুক্তভোগী ডিজাইনার হাবিবুল ইসলাম বিস্তারিত তুলে ধরেছেন।
হাবিবুল তাঁর বক্তব্যে জানান যে কাজের অগ্রগতির সাথে সাথে পারিশ্রমিক পরিশোধ নিয়ে জটিলতা তৈরি হওয়ায় তিনি আগেই বিষয়টি স্পষ্ট করেছিলেন। তিনি পরিষ্কার জানিয়ে দিয়েছিলেন যে পূর্বের বকেয়া পাওনা পরিশোধ করা না হলে তাঁর পক্ষে প্রকল্পের পরবর্তী কাজ চালিয়ে যাওয়া কোনোভাবেই সম্ভব হবে না।
সেই সময়ে সংশ্লিষ্ট পক্ষ থেকে তাঁকে দ্রুত পারিশ্রমিক পরিশোধের জোরালো আশ্বাস দেওয়া হয়েছিল বলে উল্লেখ করেন তিনি। কিন্তু পরবর্তীতে সেই প্রতিশ্রুত অর্থ হাতে না পাওয়ায় তিনি বাধ্য হয়ে নিজের পদত্যাগপত্র জমা দেন।
পদত্যাগপত্র জমা দেওয়ার পরও তাঁকে আশ্বাস দিয়ে বলা হয়েছিল যেন তিনি পদত্যাগ না করেন এবং তাঁর পাওনা মিটিয়ে দেওয়া হবে। তবে শেষ পর্যন্ত সেই প্রতিশ্রুতির কোনো বাস্তবায়ন না হওয়ায় তিনি চূড়ান্তভাবে সব ধরনের কাজ বন্ধ করে দিতে বাধ্য হন।
সমস্যাটির একটি শান্তিপূর্ণ সমাধানের উদ্দেশ্যে তিনি এরপরেও বহুবার তাঁদের সাথে যোগাযোগ রক্ষা করে চলেছেন বলে জানান। রাকসুর সংশ্লিষ্ট দায়িত্বশীল ব্যক্তিদের বিষয়টি অবগত করার চেষ্টা চালালেও তিনি কোনো নির্দিষ্ট তারিখ কিংবা সুনির্দিষ্ট সমাধানের আশ্বাস পাননি।
উলটো তাঁকে বিভিন্ন সময় দুর্ব্যবহারের শিকার হতে হয়েছে বলে তিনি অভিযোগ করেন। এই আর্থিক পাওনা ও অনিয়মের বিষয়টি অন্যদের কাছে প্রকাশ করার কারণে তাঁকে সাফ জানিয়ে দেওয়া হয় যে, তাঁকে আর কোনো পারিশ্রমিক দেওয়া হবে না কিংবা অভিযুক্ত ব্যক্তির যখন ইচ্ছা হবে তখনই কেবল তিনি পরিশোধ করবেন।
সর্বশেষ নিজের দীর্ঘদিনের পাওনা টাকাটুকুর জন্য আবারও যোগাযোগ করা হলে তাঁকে স্পষ্টভাবে জানিয়ে দেওয়া হয় যে এ বিষয়ে পুনরায় মেসেজ পাঠানো হলে তাঁকে ব্লক করে দেওয়া হবে।
সূত্র: আজকের পত্রিকা