
নিজস্ব প্রতিবেদক মুক্ত কণ্ঠস্বর
যুক্তরাষ্ট্রের সম্ভাব্য সামরিক আগ্রাসন ও নৌ অবরোধের মুখেও বেশ কিছুদিন টিকে থাকার মতো পর্যাপ্ত খাদ্য ও জ্বালানি রয়েছে ইরানের হাতে। সিআইএর সাম্প্রতিক এক গোয়েন্দা মূল্যায়নে এই তথ্য উঠে এসেছে।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে যুক্তরাষ্ট্রের এক কর্মকর্তা জানান, ডোনাল্ড ট্রাম্পের পক্ষ থেকে নতুন করে কোনো মার্কিন সামরিক অভিযান চালানো হলে, তার প্রাথমিক ধাক্কা ও নেতিবাচক প্রভাব সফলভাবে সামাল দিতে এই মজুত তেহরানকে বড় ধরনের সহায়তা করবে। গোয়েন্দা বিষয়ের স্পর্শকাতরতার কারণেই ওই কর্মকর্তা নিজের পরিচয় প্রকাশ করেননি।
অন্যদিকে, চলমান কূটনৈমিতিক প্রক্রিয়ায় কোন পক্ষ আগে কী ধরনের ছাড় প্রদান করবে, তা নিয়ে বড় ধরনের জটিলতা তৈরি হয়েছে। এই বিষয়টি বর্তমানে দুই পক্ষের আলোচনার পথে প্রধান অন্তরায় হয়ে দাঁড়িয়েছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একটি কূটনৈতিক সূত্রের ভাষ্যমতে, ওয়াশিংটন জোরালোভাবে চাচ্ছে যেন আলোচনার শুরুতেই তেহরান বেশ কিছু বিষয়ে নির্দিষ্ট ছাড় দেয়। যুক্তরাষ্ট্রের দাবির তালিকায় দেশটির পারমাণবিক কর্মসূচির ওপর কঠোর বিধিনিষেধ আরোপের বিষয়টিও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
তবে ওয়াশিংটনের এমন দাবি দৃঢ়ভাবে প্রত্যাখ্যান করেছে তেহরান। অত্যন্ত সংবেদনশীল কূটনৈতিক আলোচনার বিষয়ে প্রকাশ্যে কথা বলার এখতিয়ার না থাকায়, ওই কূটনীতিকও পরিচয় গোপন রাখার শর্তেই এই তথ্যগুলো গণমাধ্যমের কাছে তুলে ধরেছেন।
সূত্র: আজকের পত্রিকা