
নিজস্ব প্রতিবেদক মুক্ত কণ্ঠস্বর
ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ম্যাচের শুরুতেই ফিল্ডিংয়ে বড় ধরনের ব্যর্থতার পরিচয় দিয়েছে বাংলাদেশ দল। ইনিংসের একদম শুরুর দিকেই একাধিক সহজ সুযোগ হাতছাড়া করায় বড় খেসারত দিতে হয় টাইগারদের, যা ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দিতে পারত।
মাত্র ১৪ রান তুলতেই উইন্ডিজের উদ্বোধনী জুটি ভেঙে দেওয়ার দারুণ একটি সুযোগ তৈরি হয়েছিল। কিন্তু বোলিং আক্রমণের তৃতীয় ওভারের প্রথম বলটি হাসান মাহমুদের বিপক্ষে কাট করতে গিয়ে বিপদ ডেকে আনছিলেন জন ক্যাম্পবেল।
ব্যাকওয়ার্ড পয়েন্ট অঞ্চলে বলের দিকে দ্রুত ডাইভ দিয়েও শেষ পর্যন্ত নাগাল পেতে ব্যর্থ হন নাঈম হাসান। ধারাভাষ্যকার বক্সে থাকা আতহার আলী খান এই দৃশ্য দেখে হতাশা প্রকাশ করে স্পষ্ট ভাষায় বলে ওঠেন যে, ক্যাচটি তাদের যেকোনোভাবেই লুফে নেওয়া উচিত ছিল।
ক্যাম্পবেল যখন জীবন পান, তখন ব্যক্তিগত রান ছিল মাত্র ৫। এরপর মাঠে থিতু হওয়ার সুযোগ পেয়ে তিনি আবারও জীবন পান, যা বাংলাদেশের ফিল্ডিং দুর্বলতাকেই বড় করে তোলে।
ইনিংসের ১৫তম ওভারের একেবারে শেষ বলটিতে পেসার শরীফুল ইসলামকে অত্যন্ত জোরালো একটি স্ট্রেট ড্রাইভ করেন সেই ক্যাম্পবেল। বাংলাদেশের এই বাঁহাতি পেসার নিজের বলে নিজেই ক্যাচ ধরার সেই সহজ সুযোগটি মুঠোয় জমাতে পারেননি।
ক্যাম্পবেল সেই যাত্রায় বেঁচে গিয়ে দ্রুত আরও ২ রান সংগ্রহ করে নেন। ক্যারিবিয়ান এই ওপেনারের নামের পাশে তখন যোগ হয়েছে ২২ রান। ওই ক্যাচটি লুফে নেওয়া গেলে মাত্র ৫২ রানের মধ্যেই নিজেদের দ্বিতীয় উইকেট হারিয়ে বসতে পারত ওয়েস্ট ইন্ডিজ দল।
সূত্র: আজকের পত্রিকা