
নিজস্ব প্রতিবেদক মুক্ত কণ্ঠস্বর
ক্ষমতাধীন মার্কিন রাষ্ট্রপতির বক্তব্য অতিদ্রুত পাওয়ার সুবিধা বিক্রির এই বাণিজ্যিক পদক্ষেপটি নৈতিক ও আইনগত দিক থেকে গুরুতর বিতর্কের জন্ম দিয়েছে। গত বছরের জুলাই মাসে ডেমোক্র্যাট দলের দুই আইনপ্রণেতা সিনেটর এলিজাবেথ ওয়ারেন এবং অ্যাডাম শিফ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (এসইসি) কাছে একটি আনুষ্ঠানিক আবেদন পাঠান। ওই আবেদনে তাঁরা জানতে চান যে প্রদত্ত এই সেবাটি প্রচলিত সিকিউরিটিজ আইনের কোনো ব্যত্যয় ঘটাচ্ছে কি না।
নির্বাচিত দুই সিনেটর ব্যক্তিগত স্বার্থসিদ্ধির জন্য সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় পদের এই ধরনের ব্যবহারকে অত্যন্ত নজিরবিহীন এবং ক্ষমতার চরম অপব্যবহার হিসেবে আখ্যায়িত করেন। তবে এই সম্পূর্ণ ঘটনায় সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (এসইসি) কোনো ধরনের মন্তব্য করতে স্পষ্টভাবে রাজি হয়নি।
অন্য একটি ঘটনায়, সংবাদভিত্তিক মাধ্যম ইন্টারসেপ্ট মিডিয়া এবং অলাভজনক প্রতিষ্ঠান ফ্রিডম অব দ্য প্রেস ফাউন্ডেশন যৌথভাবে গত আগস্ট মাসে মার্কিন রাষ্ট্রপতির বিরুদ্ধে একটি আইনি মামলা দায়ের করে।
উত্থাপিত ওই মামলায় হোয়াইট হাউসের গুরুত্বপূর্ণ সব সরকারি আনুষ্ঠানিক ঘোষণা একচ্ছত্রভাবে শুধুমাত্র ট্রুথ সোশ্যালে প্রকাশ করা অবিলম্বে বন্ধ করার দাবি জানানো হয়। মূলত এই নির্দিষ্ট সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মটিতে অর্থের বিনিময়ে সাধারণের চেয়ে দ্রুততম সময়ে তথ্য পাওয়ার বাণিজ্যিক সুযোগ চালু রয়েছে, যা নিয়েই মূলত এই আইনি লড়াইয়ের সূত্রপাত হয়।
সূত্র: আজকের পত্রিকা