
নিজস্ব প্রতিবেদক মুক্ত কণ্ঠস্বর
বিশ্ব স্ট্রোক দিবস উপলক্ষে সম্প্রতি এভারকেয়ার হসপিটালস, বাংলাদেশের উদ্যোগে একটি সচেতনতামূলক র্যালি ও বিশেষ সেশনের আয়োজন করা হয়। স্ট্রোক প্রতিরোধ এবং এ বিষয়ে জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যেই এই কর্মসূচি পালন করা হয়েছে বলে জানিয়েছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।
অনুষ্ঠানে এভারকেয়ার হসপিটালস, বাংলাদেশের গ্রুপ মেডিকেল ডিরেক্টর ডা. আরিফ মাহমুদ উপস্থিত ছিলেন। তিনি তাঁর বক্তব্যে জানান যে স্ট্রোকের চিকিৎসায় সময় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে।
ডা. আরিফ মাহমুদ আরও উল্লেখ করেন যে এভারকেয়ার হসপিটাল ঢাকায় নিউরোলজি ও নিউরোসার্জারির আধুনিক চিকিৎসাসেবা একই ছাদের নিচে উপলব্ধ রয়েছে। হাসপাতালের জরুরি বিভাগ থেকে শুরু করে ক্রিটিক্যাল কেয়ার পর্যন্ত প্রতিটি স্ট্রোক ইউনিট সব সময় সেবা প্রদানের জন্য প্রস্তুত থাকে। তবে তিনি সতর্ক করে বলেন যে এসব উন্নত সুযোগ-সুবিধা তখনই কার্যকর হয় যখন সাধারণ মানুষ সচেতন হন এবং সঠিক সময়ে রোগীকে হাসপাতালে নিয়ে আসেন।
এই আয়োজনে আরও বক্তব্য দেন এভারকেয়ার হসপিটাল ঢাকার নিউরোলজি বিভাগের সিনিয়র কনসালটেন্ট ও কো-অর্ডিনেটর প্রফেসর ডা. আব্দুল কাদের শেখ। তিনি জানান যে স্ট্রোকের চিকিৎসায় হাসপাতালের প্রস্তুতির পাশাপাশি জনগণের সচেতনতাও সমভাবে জরুরি।
প্রফেসর ডা. আব্দুল কাদের শেখ আরও যোগ করেন যে বাংলাদেশে আন্তর্জাতিক মানের চিকিৎসাসেবা পৌঁছে দেওয়াই এভারকেয়ার হাসপাতালের মূল লক্ষ্য। বিশ্ব স্ট্রোক দিবসের এই কর্মসূচির মাধ্যমে সাধারণ মানুষকে সচেতন করা হচ্ছে, যাতে তারা স্ট্রোকের লক্ষণগুলো চিনতে পারেন এবং দ্রুত যথাযথ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করতে সমর্থ হন।
হাসপাতাল করপক্ষের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, এভারকেয়ার হসপিটাল ঢাকার নিউরোলজি বিভাগে মস্তিষ্ক, মেরুদণ্ড, পেরিফেরাল নার্ভ ও মাংসপেশির নানা জটিল রোগের পরামর্শ, আধুনিক পরীক্ষা-নিরীক্ষা এবং চিকিৎসা দেওয়া হয়ে থাকে।
এছাড়াও প্রতিষ্ঠানটির ফিজিক্যাল মেডিসিন ও রিহ্যাবিলিটেশন সেন্টারের সার্বিক সহযোগিতায় স্ট্রোক-পরবর্তী নিউরো রিহ্যাবিলিটেশন চিকিৎসাসেবাও প্রদান করা হয় বলে জানিয়েছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।
পরিশেষে এভারকেয়ার হসপিটাল ঢাকা কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে যে সাধারণ মানুষ যদি সচেতন হন এবং স্ট্রোকের প্রাথমিক লক্ষণগুলো চিনে রোগীকে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে আসেন, তবে অনেক রোগীর অমূল্য জীবন বাঁচানো সম্ভব হতে পারে।
সূত্র: আজকের পত্রিকা