
নিজস্ব প্রতিবেদক মুক্ত কণ্ঠস্বর
ঢাকাই চলচ্চিত্রের জনপ্রিয় নায়ক চৌধুরী মোহাম্মদ শাহরিয়ার ইমন তথা সালমান শাহর মৃত্যুর প্রায় দীর্ঘ তিন দশক অতিক্রান্ত হওয়ার পর আদালতের নির্দিষ্ট আদেশের প্রেক্ষিতে রাজধানীর রমনা থানায় একটি হত্যা মামলা রুজু করা হয়েছিল। গত বছরের একুশে অক্টোবর তারিখে এই মামলাটি দায়ের করেন প্রয়াত নায়কের নিজ মামা মোহাম্মদ আলমগীর। ওই এজাহারে সব মিলিয়ে এগারোজন নির্দিষ্ট ব্যক্তির নাম অন্তর্ভুক্ত করার পাশাপাশি আরও বেশ কয়েকজন অজ্ঞাতনামা ব্যক্তাকেও আসামি হিসেবে রাখা হয়েছে।
মামলার মূল এজাহারে যাঁদেরকে অভিযুক্ত করা হয়েছে, তাঁদের মধ্যে সালমান শাহর সাবেক স্ত্রী সামিরা হক এবং সামিরার মা লতিফা হক লুসি রয়েছেন। এছাড়া ব্যবসায়ী আজিজ মোহাম্মদ ভাই, চলচ্চিত্র জগতের পরিচিত মুখ আশরাফুল হক ওরফে ডন, ডেভিড, জাভেদ, ফারুক, রুবি, আব্দুস সাত্তার, সাজু এবং রিজভি আহমেদ ফারহাদের নামও সুনির্দিষ্টভাবে এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে।
তার ঠিক আগের দিন অর্থাৎ গত বছরের কুড়ি অক্টোবর ঢাকার ষষ্ঠ অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ আদালতের বিচারক মোড় জান্নাতুল ফেরদৌস ইবনে হক রমনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে একটি গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশ দিয়েছিলেন। তিনি দীর্ঘকাল ধরে চলে আসা সালমান শাহর ‘অস্বাভাবিক মৃত্যু’ সংক্রান্ত মামলাটিকে সরাসরি একটি হত্যা মামলা হিসেবে আমলে নিয়ে দ্রুত তদন্ত সাপেক্ষে আদালতে প্রতিবেদন দাখিল করার নির্দেশ প্রদান করেন।
উল্লেখ্য, রমনা থানায় এই হত্যা মামলাটি আনুষ্ঠানিকভাবে দায়ের হওয়ার পর গত বছরের সাতাশ অক্টোবর তারিখে ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত একটি বিশেষ পদক্ষেপ গ্রহণ করেন। আদালতের পক্ষ থেকে মামলার অন্যতম অভিযুক্ত সামিরা হক এবং আশরাফুল হক ডনের দেশত্যাগের ওপর কঠোর নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছিল।
সূত্র: আজকের পত্রিকা