
নিজস্ব প্রতিবেদক মুক্ত কণ্ঠস্বর
তরুণ প্রজন্মকে আমাদের রাষ্ট্রীয় শক্তির মূল ভিত্তি হিসেবে উল্লেখ করে ফারজানা শারমীন পুতুল স্পষ্ট ভাষায় জানিয়েছেন যে, এই বিশাল জনগোষ্ঠীর জন্য সুরক্ষিত, সম্মানজনক এবং দীর্ঘস্থায়ী পেশাগত পরিবেশ নিশ্চিত করার বিকল্প নেই।
বিদেশে কর্মসংস্থান নিশ্চিত করার কাজ করতে গিয়ে দেশের উদীয়মান তরুণ সমাজ যেন কোনোভাবেই আর্থিক লোকসানের মুখে না পড়ে কিংবা সামাজিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন না হয়, সে বিষয়টি নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট সবাইকে সর্বোচ্চ দায়িত্বশীলতার পরিচয় দিতে হবে।
একটি বিশেষ আয়োজনে উপস্থিত ছিলেন জিটি গ্রুপের শীর্ষকর্তা পার্ক জি ইয়ং, প্রতিষ্ঠানটির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মাহমুদুল হাসান মামুন, লালপুর উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা কাজী মো. মেশকাতুল ইসলাম এবং সহকারী কমিশনার হিসেবে দায়িত্বে থাকা মো. আবীর হোসেন।
এ ছাড়াও উক্ত জমায়েতে স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনের পরিচিত মুখ, উপজেলা বিএনপির সাবেক সদস্যসচিব এবং উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান হারুনার রশিদ পাপ্পুসহ সংশ্লিষ্ট নানা পেশার বিশিষ্ট ব্যক্তিরা সেখানে নিজেদের উপস্থিতি নিশ্চিত করেছিলেন।
ওই বৈঠকে মূলত দক্ষিণ কোরিয়ার শ্রমবাজারে নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি, দক্ষ মানবসম্পদ তৈরির কলাকৌশল এবং বৈশ্বিক শ্রমবাজারে আমাদের দেশের কর্মীদের অংশগ্রহণ বৃদ্ধির নানা কৌশলগত দিক নিয়ে বিশদ আলোচনা করা হয়েছে।
আলোচনায় অংশগ্রহণকারী বিশিষ্টজনেরা মত প্রকাশ করেন যে, সুনির্দিষ্ট প্রশিক্ষণ গ্রহণ এবং নিজেদের কর্মদক্ষতা বাড়িয়ে দেশের তরুণেরা সহজেই আন্তর্জাতিক শ্রমবাজারে নিজেদের একটি শক্ত অবস্থান পাকাপোক্ত করে নিতে পারবেন।
পুরো আয়োজনের নেপথ্যের মানুষেরা আশা প্রকাশ করেছেন যে, এ ধরনের কল্যাণমুখী ও সময়োপযোগী উদ্যোগের মাধ্যমে চাকরিপ্রত্যাশী তরুণদের জন্য বহির্বিশ্বে কাজের নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে।
বিদেশগামী তরুণেরা সফল হলে জাতীয় অর্থনীতি আরও বেশি শক্তিশালী হবে এবং দেশের সামগ্রিক অর্থনৈতিক অগ্রযাত্রায় তারা আগের চেয়ে অনেক বেশি কার্যকর ও ইতিবাচক অবদান রাখতে সক্ষম হবেন।
সূত্র: আজকের পত্রিকা