
নিজস্ব প্রতিবেদক মুক্ত কণ্ঠস্বর
স্বশাসিত তাইওয়ান দ্বীপটিকে নিজেদের অবিচ্ছেদ্য অংশ বলে দাবি করে আসছে বেইজিং প্রশাসন। ভূখণ্ডটিকে নিজেদের পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে নিয়ে আসার জন্য সামরিক শক্তি ব্যবহারের বিকল্পটিও কখনোই পুরোপুরি উড়িয়ে দেয়নি চীন। যদিও বেইজিংয়ের পক্ষ থেকে বরাবরই দাবি করা হয় যে, তারা শান্তিপূর্ণ উপায়ে পুনরেকত্রীকরণের প্রক্রিয়াটিকেই সবচেয়ে বেশি প্রাধান্য দিয়ে থাকে। আন্তর্জাতিক রাজনীতি ও সামরিক বিশ্লেষকদের অভিমত হলো, তাইওয়ানের নিকটবর্তী জলসীমায় চীনের নিয়মিত এই ধরনের সামরিক শক্তি প্রদর্শন কিংবা মহড়াগুলো আসলে সাধারণ কোনো নৌপ্রশিক্ষণ, নাকি দ্বীপটির ওপর আসন্ন কোনো হামলার সুনির্দিষ্ট প্রস্তুতি—সেটি নিশ্চিত করা বেশ দুরূহ।
অন্যদিকে, জাপানের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের আনুষ্ঠানিক তথ্যে প্রকাশ পেয়েছে যে, ঘটনার মাত্র এক দিন আগেই চীনের মোট তিনটি অত্যাধুনিক যুদ্ধজাহাজ এবং কোস্ট গার্ডের একটি জলযান দেশটির কিউশু দ্বীপের সংলগ্ন ওসুমি প্রণালি পার হয়ে উন্মুক্ত প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে প্রবেশ করেছে। তবে জাপানি দাবির বিপরীতে বেইজিংয়ের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে যে, তাদের লিয়াওনিং নামক রণতরী ও সংশ্লিষ্ট নৌবহরের এই সামুদ্রিক গতিবিধি বা কার্যক্রম মূলত তাদের পূর্বনির্ধারিত নিয়মিত প্রশিক্ষণেরই একটি অংশমাত্র এবং এর মাধ্যমে কোনো নির্দিষ্ট বা বিশেষ কোনো দেশকে কোনো রকম লক্ষ্যবস্তু বানানো হয়নি।
সূত্র: আজকের পত্রিকা