
নিজস্ব প্রতিবেদক মুক্ত কণ্ঠস্বর
প্রাচীন এই ইবাদতখানার সবচেয়ে বড় আকর্ষণীয় দিকটি হলো, তৈরির পর থেকে প্রায় পৌনে দুই শতাব্দীকাল এটি কোনো ধরনের মেরামত করা ছাড়াই নিজস্ব সৌন্দর্য ও ঐতিহ্য বজায় রেখে টিকে ছিল। পরবর্তীতে বিশ শতকের প্রারম্ভে অর্থাৎ ১৯০৯ সালে প্রথমবারের মতো প্রাচীন এই কাঠামোর সংস্কার সম্পন্ন করা হয়। ওই সময় মূল স্থাপনার দেয়ালের গায়ে এবং মূল ফটকে চুন-সুরকি ও দৃষ্টিনন্দন মোজাইক পাথরের আকর্ষণীয় কারুকাজ অন্তর্ভুক্ত করা হয়।
মোগল আমলের পোড়ামাটির সুবাস আর এই অতি প্রাচীন নির্মাণশৈলীর নান্দনিক কারুকার্য উপভোগ করতে বর্তমান সময়েও পৃথিবীর নানা প্রান্ত থেকে অগণিত ভ্রমণপিপাসু মানুষ এখানে ভিড় করেন।
তাদের অনেকেই প্রাচীন এই পবিত্র প্রাঙ্গণের শান্ত ও কোলাহলমুক্ত পরিবেশে মহান সৃষ্টিকর্তার নিকট অবনত মস্তকে প্রার্থনা করে মনের ভেতর গভীর শান্তি লাভ করার উদ্দেশ্যে উপস্থিত হন।
কোনো একজন কৌতূহলী ভ্রমণকারী যখন এই ঐতিহ্যবাহী স্থাপনাটির সম্মুখে এসে উপনীত হন, তখন চোখের পলকে তিনি যেন তিন শ বছর পেছনের যুগে—অষ্টাদশ শতকের মোগল রাজপ্রাসাদের জাঁকজমকপূর্ণ দিনগুলোতে হারিয়ে যান।
সূত্র: আজকের পত্রিকা