
নিজস্ব প্রতিবেদক মুক্ত কণ্ঠস্বর
পুরানোকে অন্ধের মতো আঁকড়ে ধরার মানসিকতা মানুষের সমাজে নতুন কিছু নয়। পৌরাণিক কাহিনির অযোধ্যা নগরের রাজা মান্ধাতার নামানুসারে বহুকাল ধরে পুরানো সবকিছুকে টিকিয়ে রাখার এই অদ্ভুত প্রবণতাকে ‘মান্ধাতার আমল’ বলে চিহ্নিত করা হয়। সময়ের পরিক্রমায় মানুষের চাহিদা, রুচি, জীবনবোধ ও সংস্কৃতির রূপ বদলে গেছে। মানবসভ্যতা সর্বদা ভালো কিছুকে গ্রহণ করার ধারাবাহিকতায় সামনে এগিয়ে চলেছে। অথচ এই যুগেও উপজেলা পর্যায়ের সাব-রেজিস্ট্রারের কার্যালয়গুলো প্রাচীন পদ্ধতিগুলোকে শক্ত করে ধরে রেখেছে। আধুনিক যুগে এসেও এমন প্রবণতা বহাল থাকায় স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠছে যে, এটি কি আসলেই সেই তথাকথিত ‘মান্ধাতা-প্রীতি’ কি না।
বর্তমানে সরকারি বিভিন্ন দপ্তরে হাতে-লেখা কাগজপত্রের ব্যবহার প্রায় উঠেই গেছে। এমনকি গ্রামের সাধারণ মানুষও এখন কোথাও সাধারণত হাতে-লেখা কোনো চিঠি বা আবেদনপত্র জমা দেন না। কিন্তু আপনি যদি কোনো সাব-রেজিস্ট্রারের কার্যালয়ে যান, তবে সেখানে ঠিকই হাতে-লেখা কাগজ দেখতে পাবেন। বিশেষ করে জমির দলিলের ‘নকল’ তুলতে গেলে এমন হাতের লেখার সম্মুখীন হতে হয়, যা অনেক সময় ঠিকমতো পাঠ করাও সম্ভব হয়ে ওঠে না।
অতীতে কার্বন পেপার ব্যবহার করে দলিলের একাধিক কপি তৈরি করা হলেও বর্তমানে বিশেষ ক্ষেত্র ছাড়া কেউ আর তা ব্যবহার করেন না। কারণ সাধারণ ফটোকপি মেশিন এখন গ্রামের ছোট বাজারেও সহজে পাওয়া যায়। অথচ অবাক করা বিষয় হলো, নিবন্ধিত দলিলের একটি কপি একজন কর্মচারী দেখে দেখে বালাম বহিতে তোলেন, অন্য একজন তা উচ্চস্বরে পাঠ করেন এবং আরো একজন তা মিলিয়ে দেখেন সবকিছু ঠিক আছে কি না। এভাবে বালাম বহিতে তোলার পরই কেবল মূল দলিল হাতে পাওয়া যায়। অথচ এর বদলে দাতা ও গ্রহীতা চাইলে নিজেরাই প্রয়োজনীয় কপি নিয়ে আসতে পারতেন এবং ফটোকপি করে তা যাচাইপূর্বক স্বাক্ষর দিয়েই কাজ চালাতে পারতেন।
কিন্তু প্রচলিত আইন ও বিধিতে প্রয়োজনীয় পরিবর্তন না আনায় এই সহজ পদ্ধতি চালু করা হয়নি। অনলাইন ব্যবস্থা চালুর বহু আগেই কীভাবে পুরোনো নিয়মে কার্যক্রম পরিচালিত হতো, সেটি তো গেল। এখন মূল আলোচনার বিষয় হওয়া উচিত জমির নিবন্ধনের সম্পূর্ণ অনলাইন ব্যবস্থাপনা নিয়ে।
তার আগে ভূমি ব্যবস্থাপনার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অংশ নামজারি বা খারিজ প্রক্রিয়া সম্পর্কে কিছু কথা বলা প্রয়োজন। কোনো ব্যক্তি জমি কেনার পর দলিল নিবন্ধন সম্পন্ন করার মাধ্যমে ওই জমির আইনগত মালিক হয়ে যান। তবে এরপর সরকারের রেকর্ডপত্র হালনাগাদ করে সেখানে নতুন মালিকের নাম অন্তর্ভুক্ত করা বাধ্যতামূলক, আর এটাই হলো নামজারি। এর জন্য অনলাইনে বা নির্দিষ্ট প্রক্রিয়ায় আবেদন করার পর সহকারী কমিশনার (ভূমি) সেই আবেদনটি সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তার কাছে পাঠিয়ে দেন।
এরপর সরেজমিনে গিয়ে জমি পরিদর্শনপূর্বক প্রতিবেদন দাখিল করার পর সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোকে নিয়ে শুনানি সম্পন্ন করে নতুন খতিয়ান সৃষ্টি করা হয়। সেই খতিয়ানের কপি ইউনিয়ন ভূমি অফিসে পৌঁছালে নতুন মালিকের কাছ থেকে নিয়মিত ভূমি উন্নয়ন কর আদায় করা হয়।
কয়েক ধাপের এই দীর্ঘ প্রক্রিয়াটি প্রায় এক যুগ আগে থেকেই অনলাইনে সফলভাবে সম্পন্ন হচ্ছে, অথচ অত্যন্ত দুঃখজনক বিষয় হলো জমি নিবন্ধন প্রক্রিয়াটি এখনো ডিজিটালাইজড বা অনলাইনভুক্ত হয়নি। অথচ এই নিবন্ধন প্রক্রিয়াটি অনেকটাই ‘ওয়ানস্টপ সার্ভিস’-এর মতো হওয়া উচিত ছিল। সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে দলিল দাখিল করার পর সংযুক্ত কাগজপত্রের সত্যতা যাচাই করে তা অনুমোদন দেওয়াই হলো মূল কাজ। কিন্তু এত গুরুত্বপূর্ণ একটি সেবামূলক প্রক্রিয়াও এখনো সম্পূর্ণ পুরানো ও সেকেলে পদ্ধতিতে পরিচালিত হচ্ছে, যা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।
কোনো ব্যক্তি যখন নতুন করে জমি কিনতে যান, তখন স্বাভাবিকভাবেই তার মনে প্রশ্ন জাগে যে এই জমি ইতিপূর্বে অন্য কারও কাছে হস্তান্তর বা বিক্রি করা হয়েছে কি না। কিন্তু জমিটির নামজারি সম্পন্ন না হয়ে থাকলে এই অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ তথ্যটি সাব-রেজিস্ট্রারের কার্যালয় ছাড়া দেশের অন্য কোথাও খোঁজে পাওয়া সম্ভব নয়। মূল দলিল দেখে দেখে সেই তথ্য বের করা একজন সাধারণ মানুষের জন্য অত্যন্ত দুরূহ ও জটিল একটি কাজ। অথচ সম্পত্তি হস্তান্তর আইন ১৮৮২-এর ৩ ধারা অনুযায়ী কোনো নিবন্ধিত দলিলকে সর্বসাধারণের জন্য নেটিশ হিসেবে গণ্য করা হয়ে থাকে। আপনি নতুন ক্রোভ হিসেবে জমিটি আগেই হস্তান্তর করা হয়েছে কি না তা না জেনেই কিনলেন, আর আইন অনুযায়ী সেই ভুলের দায় পুরোপুরি আপনার ওপরই বর্তাবে।
এই আইনি জটিলতা ও দোষের বোঝা মাথায় নিয়েই দেশের সাধারণ ভূমিমালিকরা দিন দিন ভয়াবহ হয়রানির শিকার হচ্ছেন। সারাজীবনের কষ্টের জমানো সঞ্চয় দিয়ে জমি কিনেও অনেকে দেখতে পান যে সেটি মাত্র দু’দিন আগেই অন্য কারও কাছে বিক্রি করা হয়েছে। আবার এমনও দেখা যায় যে, আজ থেকে প্রায় ৫০ বছর আগের একটি পুরানো দলিলে আপনার বাবার নামে জমি ছিল, কিন্তু বালাম বহি কে বা কারা ঘষামাজা করে সেখানকার দাগ নম্বরটি সম্পূর্ণ পরিবর্তন করে দিয়েছেন।
জমির নিবন্ধন এবং নামজারি প্রক্রিয়া যদি একই ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে চলে আসে, তবে এক শ্রেণির প্রভাবশালী ভূমিমালিকের অনিয়ম ও গোপন তথ্য সহজে প্রকাশ পেয়ে তাদের সাময়িক ‘ক্ষতি’ হতে পারে বটে, তবে এর মাধ্যমে উপকৃত হবেন এ দেশের সাধারণ জনগণ। আমরা আন্তরিকভাবে চাই, এই ছোট দেশের বিশাল জনসংখ্যা সীমিত ভূমির সঠিক ও আধুনিক সেবা পাক এবং সব ধরনের হয়রানি থেকে চিরতরে মুক্ত থাকুক।
ভূমি ব্যবস্থাপনার অন্যান্য ক্ষেত্রেও একসময় নানা সমস্যা ও জটিলতা বিদ্যমান ছিল, তবে এখন সেই পরিস্থিতি অনেকটাই বদলে গেছে। ভূমি রেকর্ড বা নামজারির বহু তথ্য এখন অনলাইনে সফলভাবে অন্তর্ভুক্ত করায় শত বছর আগের পুরানো কাগজও আপনি খুব সহজেই অনলাইনে খুঁজে পাবেন। যদিও এই ডিজিটাল ব্যবস্থাতেও কিছু কিছু সুনির্দিষ্ট অভিযোগ রয়েছে, আর সেই কারণেই সরকার চালু করেছে অনলাইন ভূমি প্রতিকার ব্যবস্থা। এর মাধ্যমে যেকোনো নাগরিক খুব সহজেই অনলাইনে তাদের সুনির্দিষ্ট অভিযোগ জানাতে পারেন। নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে সেই অভিযোগ কীভাবে নিষ্পত্তি হচ্ছে, তার সার্বিক বিষয় এখন ভূমি মন্ত্রণালয়ে বসেও সরাসরি নজরদারি করা সম্ভব হচ্ছে।
এমনকি নামজারির আবেদন দাখিল করা থেকে শুরু করে ভূমি উন্নয়ন কর পরিশোধ করার কাজটিও এখন পৃথিবীর যেকোনো প্রান্ত থেকে ইন্টারনেটের মাধ্যমে করা যায়। আপনার করা আবেদনটি বর্তমানে ঠিক কোন টেবিলে আছে এবং কার কাছে কত দিন ধরে অনিষ্পন্ন অবস্থায় পড়ে আছে—সেটি মোবাইলের একটি ক্লিকেই মুহূর্তের মধ্যে জেনে যাওয়া যায়।
অথচ বর্তমান এই আধুনিক যুগেও আপনাকে মূল দলিল হাতে পেতে বছরের পর বছর অপেক্ষা করতে হয়, দলিলের প্রয়োজনীয় নকল সংগ্রহ করতে হয় হাতের লেখার সেকেলে অক্ষরে। আপনি কোনেاভাবেই জানতে পারেন না যে আপনার কষ্টের অর্থে কিনতে যাওয়া জমিটি ইতিপূর্বে অন্য কারও কাছে বিক্রি করা হয়েছে কি না। এখনও আপনাকে দলিল সম্পাদনের জন্য বিভিন্ন ধরনের তৃতীয় পক্ষের ওপর নির্ভর করতে হয়। যদি দেশের ভূমি খাতের সামগ্রিক অবস্থা এটাই হয়, তবে সাধারণ মানুষ যদি অভিযোগ করে যে জমির নিবন্ধনে এখনো ‘মান্ধাতা-প্রীতি’ বহাল রয়েছে, তবে কি তাদের সেই দাবিকে সম্পূর্ণ ভুল বলা চলে?
বিভিন্ন গণমাধ্যমের খবরে প্রকাশ পেয়েছে যে, ২০২১ সালে সরকার একটি বিশেষ প্রকল্প গ্রহণ করেছিল যার আওতায় ১৭টি উপজেলায় পাইলট বা পরীক্ষামূলকভাবে অনলাইন রেজিস্ট্রেশন কার্যক্রম শুরু হয়েছিল। কিন্তু অত্যন্ত দুঃখজনক যে সেই সফটওয়্যারটি প্রায় এক বছর ধরে সম্পূর্ণ বন্ধ রয়েছে এবং ওই প্রকল্পের জন্য নিয়োগপ্রাপ্ত কোনো কর্মীও আর সেখানে নেই। সম্প্রতি সরকার এ বিষয়ে আরেকটি নতুন প্রকল্প হাতে নিয়েছে। আগের সেই প্রকল্প যদি ব্যর্থ হয়ে থাকে, তবে ঠিক কী কারণে তা ব্যর্থ হলো তার সঠিক কারণ অনুসন্ধান করা এবং নতুন প্রকল্পটি যাতে কোনোভাবেই ব্যর্থ না হয় সেজন্য যথাযথ কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করা অত্যন্ত জরুরি। কারণ বর্তমান চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের এই যুগেও এভাবে পুরানো ও সেকেলে পদ্ধতিতে জমির নিবন্ধন চালু রাখা দেশ ও জাতির জন্য একটি অত্যন্ত নেতিবাচক বার্তা বহন করে।
বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরাম বা ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরমের প্রতিষ্ঠাতা ক্লাউস শোয়্যাব তার বিখ্যাত ‘দ্য ফোর্থ ইন্ডাস্ট্রিয়াল রেভোলিউশন’ নামক গ্রন্থে দ্বিতীয় ও তৃতীয় শিল্পবিপ্লবের অর্থনৈতিক সুফল থেকে সারা পৃথিবীর ঠিক কত শতাংশ মানুষ বঞ্চিত হয়েছিল, সেই চিত্র অত্যন্ত নিখুঁতভাবে তুলে ধরেছেন। এই সুফলভোগীদের সংখ্যার তারতম্যের পেছনে ভৌগোলিক অবস্থানসহ নানা বাস্তব কারণ থাকতে পারে। কিন্তু একই দেশের ভেতরে একই ধরনের নাগরিক সেবা প্রদানের ক্ষেত্রে এমন চরম ‘দ্বৈততা’ কোনো অবস্থাতেই গ্রহণযোগ্য হতে পারে না। একটি ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে দেশের ভূমি ব্যবস্থাপনা ও জমি নিবন্ধন প্রক্রিয়াকে একই ছাতার নিচে নিয়ে আসার বিষয়টি গভীরভাবে পর্যালোচনা করা এখন সময়ের দাবি।
২০২৩ সালের ১৪ মে প্রথম আলোর একটি বিশেষ প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছিল যে, গাইবান্ধা সদর উপজেলায় সেসময়কার কর্মরত সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. রেজাউল করিম মোট ১০ হাজার ২১৪ জন নামজারি আবেদনকারীর তথ্যাদি নিবিড়ভাবে জরিপ করেছিলেন। সেই জরিপে অত্যন্ত চাঞ্চল্যকর তথ্য বেরিয়ে আসে; দেখা যায় যে দলিলে প্রাপ্যতার চেয়ে বেশি জমি বিক্রি করা হয়েছে ১৫ শতাংশ ক্ষেত্রে, জমির শ্রেণির ভুল রয়েছে ১১ শতাংশ ক্ষেত্রে, দাগ নম্বরে ভুল রয়েছে ৬ শতাংশ ক্ষেত্রে, খতিয়ান নম্বরের ভুল ২ শতাংশ ক্ষেত্রে এবং দাতার নামে ভুল রয়েছে ৩ শতাংশ ক্ষেত্রে। সব মিলিয়ে মোট ৭৯ ভাগ আবেদনকারীর কাগজপত্রে কে না কোনও ধরনের মারাত্মক ত্রুটি রয়েছে। দলিল নিবন্ধন এবং নামজারি—একই সেবার এই অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ দুটি অংশ একই ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে না থাকার কারণেই দলিল ও নামজারিতে এ ধরনের নানা ত্রুটির সৃষ্টি হচ্ছে এবং এর ফলে দিন দিন ভুক্তভোগী হচ্ছেন সাধারণ মানুষ।
ভবিষ্যতে যদি জমি নিবন্ধনে অনলাইন ব্যবস্থাপনা পুরোপুরি চালু করা যায়, তবে বর্তমান দলিল লেখক ও বালাম লেখকদের এলএসএফসি অর্থাৎ ইতোমধ্যে চালু হওয়া ‘ল্যান্ড সার্ভিস ফ্যাসিলিটেটিং সেন্টার’ বা ভূমি সেবা সহায়তা কেন্দ্রের মতো সুনির্দিষ্ট লাইসেন্সের আওতায় এনে একটি পৃথক ও সুশৃঙ্খল ব্যবস্থা গড়ে তোলা যেতে পারে। প্রশাসনিক কাঠামো ও পদ্ধতির কাঙ্ক্ষিত পরিবর্তন না এনে কেবল লটারির মাধ্যমে সাব-রেজিস্ট্রারদের যত্রতত্র বদলি করার এই প্রক্রিয়া সাধারণ মানুষের হয়রানি কোনোভাবেই কমাতে পারবে না। বরং এর ফলে তুলনামূলক কম দক্ষ কর্মকর্তারা যদি বেশি গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় পোস্টিং পান, তবে সার্বিক পরিস্থিতি আরও বেশি অবনতির দিকে যেতে পারে।
আমরা আন্তরিকভাবে চাই দেশের ভূমি খাতের সার্বিক পরিস্থিতির দ্রুত উন্নতি ঘটুক। জমি নিবন্ধন এবং নামজারি প্রক্রিয়া একই প্ল্যাটফর্মে চলে এলে এক শ্রেণির প্রভাবশালী ভূমিমালিকদের বিভিন্ন অনিয়মের তথ্য সহজে প্রকাশ পেয়ে তাদের সাময়িক ‘ক্ষতি’ হতে পারে ঠিকই, কিন্তু এর মাধ্যমে প্রকৃত অর্থে উপকৃত হবেন এ দেশের সাধারণ জনগণ। আমরা চাই, আয়তনে ছোট এই দেশের বিপুল জনসংখ্যা সীমিত ভূমির সঠিক ও কাঙ্ক্ষিত সেবা পাক এবং সব ধরনের অপ্রয়োজনীয় হয়রানি থেকে চিরতরে মুক্ত থাকুক।
মুহাম্মদ আবু সাঈদ সাবেক শিক্ষার্থী, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
সূত্র: জাতীয় দৈনিক আমার সকাল টিম।