
নিজস্ব প্রতিবেদক মুক্ত কণ্ঠস্বর
রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন মন্তব্য করেছেন যে ইউরোপের সঙ্গে সশস্ত্র লড়াইয়ের জন্য তারা প্রস্তুত রয়েছেন, যদিও তারা কোনো সংঘাত চান না। একই সঙ্গে তিনি উত্তর আটলান্টিক treaty সংস্থা বা ন্যাটোর বর্তমান সম্প্রসারণ নীতিকেই ইউক্রেন চলমান সংকটের প্রধান অনুঘটক হিসেবে চিহ্নিত করেছেন।
বিশ্লেষকদের ধারণা অনুযায়ী, পুতিন খুব দ্রুতই ইউরোপীয় ভূখণ্ডে ন্যাটোর সামরিক শক্তি ও উপস্থিতি হ্রাসের জোরালো দাবি উত্থাপন করতে পারেন। এই দাবির বাস্তবায়ন ঘটলে পোল্যান্ডের পাশাপাশি এস্তোনিয়া, লাটভিয়া, লিথুয়ানিয়া এবং ফিনল্যান্ডের মতো সীমান্তবর্তী রাষ্ট্রগুলো থেকে সামরিক বাহিনী সম্পূর্ণ প্রত্যাহার করে নিতে হতে পারে।
অন্যদিকে, বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন যুক্তরাজ্যের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ওয়েস স্ট্রিটিং। তিনি এক কঠোর সতর্কবার্তায় বলেছেন যে আগামী দশকের শুরু অর্থাৎ ২০৩০ সালের মধ্যেই যুক্তরাজ্যের নির্দিষ্ট কিছু শত্রু দেশ ব্রিটিশ ভূখণ্ডে সরাসরি সামরিক আগ্রাসন চালানোর মতো পর্যাপ্ত সক্ষমতা অর্জন করতে সক্ষম হবে।
ব্রিটেনের দ্য টেলিগ্রাফ পত্রিকায় প্রকাশিত একটি উপদলীয় নিবন্ধে ব্রিটিশ এই মন্ত্রী বিশদভাবে তুলে ধরেছেন যে সম্ভাব্য সবচেয়ে ভয়াবহ ও সংকটময় পরিস্থিতি কোনোভাবেই এড়িয়ে চলতে হলে আগে থেকেই সর্বোচ্চ প্রস্তুতি গ্রহণ করা আবশ্যক।
নিজের ওই একই নিবন্ধে ওয়েস স্ট্রিটিং আরও ব্যাখ্যা করে লিখেছেন যে প্রথম ও প্রধান পদক্ষেপ হিসেবে দেশের সার্বিক সামরিক সক্ষমতা বহুগুণ বাড়িয়ে তুলতে হবে, যাতে সম্ভাব্য প্রতিপক্ষরা যেকোনো ধরনের হামলার কথা চিন্তা করার আগেই দুবার ভাবতে বাধ্য হয়।
ব্রিটিশ প্রতিরক্ষামন্ত্রীর মতে, এই প্রতিরোধমূলক কূটনৈতিক ও সামরিক প্রচেষ্টা যদি কোনো কারণে সফল না হয়, তবে যেকোনো মূল্যে যুক্তরাজ্যকে নিশ্চিত করতে হবে যে দেশটি যেকোনো ধরনের যুদ্ধের মুখোমুখি হওয়ার জন্য সম্পূর্ণ প্রস্তুত রয়েছে।
সূত্র: আজকের পত্রিকা