
নিজস্ব প্রতিবেদক মুক্ত কণ্ঠস্বর
সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদে ঘটা এক মর্মান্তিক অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় প্রাণ হারানো নওগাঁ জেলার পাঁচ কর্মীর মরদেহ অবশেষে শুক্রবারের পরিবর্তে শনিবার দেশে এসে পৌঁছানোর কথা রয়েছে। সুদীর্ঘ আড়াই মাসেরও বেশি সময় ধরে চলা তীব্র অনিশ্চয়তা ও অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে এই নিথর দেহগুলো স্বজনদের কোলে ফিরে আসার খবরে পরিবারগুলোতে গভীর শোকের মাতম শুরু হয়েছে।
প্রিয়জন হারানোর এই অপূরণীয় বেদনার পাশাপাশি শোকসন্তপ্ত পরিবারগুলোর ওপর চেপে বসেছে বিশাল আর্থিক বোঝা। মহাজন ও বিভিন্ন এনজিও থেকে নেওয়া ঋণের টাকা কীভাবে পরিশোধ করা হবে, তা নিয়ে চরম দুশ্চিন্তা ও অসহায়ত্বে দিন কাটাচ্ছেন নিহতদের পরিবারের সদস্যরা।
সৌদি আরবের বাংলাদেশ দূতাবাস থেকে পাঠানো এক আনুষ্ঠানিক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে যে, নিহতদের পরিচয় নিশ্চিত করতে দীর্ঘ প্রক্রিয়া হিসেবে ডিএনএ পরীক্ষা সম্পন্ন করা হয়েছে এবং তা থেকেই বাকি পাঁচজনের সঠিক পরিচয় পাওয়া গেছে।
বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের বিজি-৩৩৬ क्रमांका নির্ধারিত ফ্লাইটে করে এই মরদেহগুলো বহন করে আনা হচ্ছে। আগামীকালের ওই বিমানটি সকাল আটটা বেজে পাঁচ মিনিটে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করার কথা রয়েছে।
যাঁদের মরদেহগুলো স্বদেশের মাটিতে ফিরে আসছে, তাঁদের মধ্যে রয়েছেন নওগাঁ পৌর শহরের পার-নওগাঁ এলাকার বাসিন্দা শাহিন। পাশাপাশি এই তালিকায় আরও আছেন আত্রাই উপজেলার ডুবাই গ্রামের মো. হাসিবুল হাসান শুভ।
একই উপজেলার অন্য তিন নিহতের মধ্যে রয়েছেন মধ্যবোয়ালিয়া গ্রামের মিনহাজ প্রামাণিক এবং মাধবপুর গ্রামের বাসিন্দা মাসিদুল সরদার সজিব। এ ছাড়া এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় প্রাণ হারানো সাধনগর গ্রামের সাগর আলীর মরদেহও একই ফ্লাইটে দেশে আসছে।
সূত্র: আজকের পত্রিকা