
নিজস্ব প্রতিবেদক মুক্ত কণ্ঠস্বর
স্বল্প পুঁজির ওয়েস্ট ইন্ডিজকে যত দ্রুত সম্ভব থামানোর পরিকল্পনা ছিল টাইগারদের। সেই লক্ষ্য বাস্তবায়নে বোলাররা সফল হলে দিনশেষে সুবিধা পাবে স্বাগতিক শিবির।
প্রথম ইনিংসে বাংলাদেশ দলের করা ২৭২ রানের জবাবে দ্বিতীয় দিন শেষে ক্যারিবীয়দের সংগ্রহ দাঁড়ায় চার উইকেটে ১৩৪ রান। তেজনারায়ণ চন্দরপল ও জাস্টিন গ্রিভস ৩৭ রানের অবিচ্ছিন্ন জুটি নিয়ে আজকের খেলা শুরু করেছিলেন। তবে দিনের শুরুতে এই জুটি বেশিদূর এগোতে পারেনি। ব্যক্তিগত ৪৩ রান নিয়ে মাঠে নামা চন্দরপল শেষ পর্যন্ত ৫৬ রান করে সাজঘরে ফেরেন।
শরীফুল ইসলামের করা বলে নাজমুল হোসেন শান্তর মুঠোয় বন্দী হন এই ব্যাটার। চন্দরপলের পতনের মাধ্যমে ওয়েস্ট ইন্ডিজের পঞ্চম উইকেটের দীর্ঘ ৬৫ রানের জুটিটি ভেঙে যায়।
এই বাঁহাতি ওপেনারের বিদায়ের পর উইকেটে আসেন রোস্টন চেজ। প্রথম ইনিংসে লিড পাওয়ার লড়াইয়ে গ্রিভসের সঙ্গে এবার দলকে টানবেন ক্যারিবীয় অধিনায়ক। সফরকারী দলের সর্বশেষ ভরসা কেবল এই জুটির ওপরই নির্ভর করছে।
এরপর দলে আর কোনো প্রতিষ্ঠিত ব্যাটার অবশিষ্ট নেই। ফলে যা করার এই চেজ ও গ্রিভস জুটিকে উইকেটে থেকে করতে হবে।
এই রোস্টন চেজ ও জাস্টিন গ্রিভসের জুটিটি দ্রুত ভাঙতে পারলে বাংলাদেশের পক্ষে লিড নেওয়ার দারুণ সম্ভাবনা তৈরি হবে। এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত ক্যারিবীয়রা পাঁচ উইকেট হারিয়ে ১৯২ রান সংগ্রহ করেছে এবং স্বাগতিকরা এখনও ৮০ রানে এগিয়ে রয়েছে।
গতকালকের মতো আজও বোলিংয়ের সূচনা করতে হাসান মাহমুদ ও শরীফুল ইসলামকে ডেকেছিলেন অধিনায়ক শান্ত। পেসারদের ঝুলিতে তখন কেবল জন ক্যাম্পবেলের উইকেটটি জমা পড়েছিল, যাকে সাজঘরে পাঠান হাসান।
আজ রোববারের খেলা শুরুর পরপরই তেজনারায়ণকে ফিরিয়ে নিজের সাফল্য দেখালেন পেসার শরীফুল। আজকের ম্যাচে দুই পেসার নিয়ে একাদশ সাজালেও বাংলাদেশ মাঠে নামিয়েছে তিন বিশেষজ্ঞ স্পিনার।
গতকালের খেলায় ক্যারিবীয়দের হারানো চার উইকেটের তিনটিই তুলে নেন দলের স্পিনাররা। এর মধ্যে তাইজুল ইসলাম শিকার করেন দুটি উইকেট এবং মেহেদী হাসান মিরাজের প্রাপ্তি ছিল একটি উইকেট।
আজকের দিনেও এই স্পিনারদের দিকে তাকিয়ে থাকবে বাংলাদেশ দল। কারণ ঢাকা টেস্টের সময় যত সামনের দিকে এগোবে, উইকেটের সুবিধা তত বেশি স্পিনারদের অনুকূলে যাবে।
এখন দেখার বিষয়, তাইজুল ও মিরাজরা এই সুযোগ পুরোপুরি কাজে লাগিয়ে বাংলাদেশকে কাঙ্ক্ষিত লিড এনে দিতে পারেন কি না।
সূত্র: আজকের পত্রিকা