
নিজস্ব প্রতিবেদক মুক্ত কণ্ঠস্বর
খেলার তৃতীয় দিনে মধ্যাহ্নভোজের বিরতিকে যথাযথভাবে কাজে লাগিয়েছে সফরকারী ওয়েস্ট ইন্ডিজ দল। বাকি সব খেলোয়াড় যখন ডাইনিং রুমে খাবার খাচ্ছিলেন, তখন ক্যারিবিয়ান শিবিরের কিছু ক্রিকেটারকে মাঠের মধ্যে ফিল্ডিংয়ের বাড়তি অনুশীলন করতে দেখা যায়।
নাঈম হাসানের বলে জাস্টিন গ্রিভস এলবিডব্লুর শিকার হলে বাংলাদেশ ও ওয়েস্ট ইন্ডিজের মধ্যকার এই ম্যাচের লাঞ্চের সময় নির্ধারিত হয়। এই মধ্যাহ্ন বিরতিতে যাওয়ার মুহূর্তে রোস্টন চেজ ৩০ রান নিয়ে অপরাজিত ছিলেন এবং ৬ উইকেট হারিয়ে ওয়েস্ট ইন্ডিজের সংগ্রহ দাঁড়ায় ২১৩ রান। তখনো তারা বাংলাদেশের চেয়ে ৫৯ রানে পিছিয়ে ছিল।
ষষ্ঠ উইকেটে রোস্টন চেজের সঙ্গী হিসেবে ক্রিজে ছিলেন জশুয়া বিশপ। বর্তমান দলে রোস্টন চেজ ছাড়া আর কোনো স্বীকৃত ব্যাটার অবশিষ্ট নেই, যা দলটির অলআউট হওয়ার ঝুঁকি স্বাভাবিকভাবেই বাড়িয়ে দিয়েছে। লেজের সারির ব্যাটাররা যদি কোনো প্রতিরোধ গড়তে ব্যর্থ হন, তবে অতিথিদের ইনিংস দীর্ঘস্থায়ী হওয়ার কোনো সুযোগ নেই। এই কঠিন পরিস্থিতি মাথায় রেখেই সম্ভবত লাঞ্চের সময়ে ফিল্ডিংয়ের প্রস্তুতি নিয়ে রেখেছিল ওয়েস্ট ইন্ডিজের খেলোয়াড়েরা।
তবে বিরতি থেকে মাঠে ফেরার পরপরই স্বল্প সময়ের ব্যবধানে জশুয়া বিশপ ও শামার জোসেফকে হারিয়ে ক্যারিবীয়দের অলআউটের শঙ্কা আরও তীব্র আকার ধারণ করে। মেহেদী হাসান মিরাজের করা ইনিংসের ৮১তম ওভারে ১৫ রান সংগ্রহ করা জশুয়া বিশপকে স্ট্যাম্পিংয়ের ফাঁদে ফেলেন উইকেটরক্ষক লিটন দাস।
এর কিছুক্ষণের মধ্যেই নাঈম হাসানের একটি দুর্দান্ত ডেলিভারিতে মাত্র ৪ রান করা শামার জোসেফ লিটনের গ্লাভসবন্দী হন। এই পতনের ফলে ২৪৫ রানের মাথায় সপ্তম উইকেটের পতন ঘটে সফরকারী দলের এবং তারা তখনও বাংলাদেশের রানসংখ্যা থেকে ২৭ রান দূরে পিছিয়ে রয়েছে।
সূত্র: আজকের পত্রিকা