
নিজস্ব প্রতিবেদক মুক্ত কণ্ঠস্বর
বাংলাদেশ ও ভুটানকে নিয়ে গঠিত ‘এ’ গ্রুপের প্রতিপক্ষ হিসেবে আসরে লড়বে আয়োজক দেশ। অপরদিকে, মালদ্বীপ ও পাকিস্তানের সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে দেখা যাবে ভারতের যুবাদের ‘বি’ গ্রুপে। আসন্ন পাঁচই নভেম্বর তারিখ নির্ধারিত দিনে পাকিস্তানি দলের বিরুদ্ধে মাঠে নেমে ট্রফি অক্ষুণ্ণ রাখার লড়াইয়ের সূচনা করবে দলটি। এরপর আগামী এগারোই নভেম্বর তাদের পরবর্তী গ্রুপ পর্বের লড়াইয়ে প্রতিপক্ষ হিসেবে লড়তে হবে মালদ্বীপের বিরুদ্ধে।
এর আগে সবশেষ ২০২৩ সালের আসর বসেছিল বেঙ্গালুরু শহরে। ওই টুর্নামেন্টের ফাইনালে শক্তিশালী কুয়েত দলকে পরাস্ত করে সেরার মুকুট নিজেদের মাথায় তুলে নিয়েছিল ভারতীয় ফুটবলাররা। সেই সাফল্যের ধারা বজায় রাখতে এবার সম্পূর্ণ নতুন পরিকল্পনা নিয়ে মাঠে নামছে দলটি।
আসন্ন সাফ টুর্নামেন্টের জন্য ভারত মোট আটাইশ জন খেলোয়াড়কে নিয়ে তাদের চূড়ান্ত স্কোয়াড গঠন করেছে। এই বিশাল বহরে গোলরক্ষক পজিশনের দায়িত্ব সামলানোর জন্য রাখা হয়েছে তিন কৃতি খেলোয়াড়কে। গোলবারের নিচে ভরসা জোগাতে দলে সুযোগ পাওয়া এই তিন গোলরক্ষক হলেন আরশ আনোয়ার শেখ, কে মোহনরাজ এবং প্রিয়াংশ দুবে।
রক্ষণভাগ বা রক্ষণ সামলানোর গুরুদায়িত্ব অর্পণ করা হয়েছে একদল নির্ভরযোগ্য ডিফেন্ডারের ওপর। এই বিভাগে যারা নিজেদের সেরাটা দেওয়ার জন্য প্রস্তুত রয়েছেন, তারা হলেন আবদুল রবি, বিজয় ভার্গিস, চিংলেনসানা সিং কোনশাম এবং হমিংথানমাওইয়া রালতে।
ডিফেন্স লাইন আরও সুদৃঢ় করতে এই তালিকায় আরও অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে খাইমিনথাং লুংদিম, মোহাম্মদ উভাইস, নাথান রদ্রিগেস ও রনি খারবুদনকে। এছাড়া রক্ষণভাগের রক্ষণাত্মক কৌশল মজবুত রাখতে দলে রাখা হয়েছে অভিজ্ঞ ডিফেন্ডার সন্দীপ মান্ডিকেও।
মাঠের মাঝমাঠ বা মিডফিল্ড পজিশন নিয়ন্ত্রণ করার জন্য মোট বারোজন পারফর্মারকে বেছে নেওয়া হয়েছে। এই মধ্যমাঠের খেলোয়াড়দের তালিকায় নাম রয়েছে অভিষেক সূর্যবংশী, অ্যাডিসন সিং থোকচোম, ব্রাইসন ফার্নান্দেস ও এবিনদাস যেসুদাসনদের মতো উদীয়মান তারকারা।
মিডফিল্ডের শক্তি বাড়াতে আরও যুক্ত করা হয়েছে ফারুখ চৌধুরী, ম্যাকার্টন নিকসন, ম্যাংলেনথাং কিপগেন এবং নিখিল প্রভুকে। এই গুরুত্বপূর্ণ পজিশনে নিজেদের দক্ষতার প্রমাণ দিতে স্কোয়াডে আরও জায়গা পেয়েছেন নওফল পিএন, রিকি জন শাবং এবং সুরেশ সিং ওয়াংজাম।
আক্রমণভাগ বা ফরোয়ার্ড লাইনে প্রতিপক্ষের রক্ষণ ভেঙে গোল করার জন্য পাঁচজন দক্ষ স্ট্রাইকারকে দলে রাখা হয়েছে। এই আক্রমণাত্মক ফুটবলাররা হলেন ইরফান ইয়াদওয়াদ, লিস্টন কোলাসো এবং মোহাম্মদ সুহাইল।
গোল করার খরা কাটাতে এবং দলের স্কোরলাইন সমৃদ্ধ করতে ফরোয়ার্ড লাইনআপে আরও অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে বিষ্ণু পি ভি এবং সুহাইল আহমেদ ভাটকে।
সূত্র: আজকের পত্রিকা