
নিজস্ব প্রতিবেদক মুক্ত কণ্ঠস্বর
বর্তমান সময়ে শিশু ও কিশোরদের মাঝে শরীরের ওজন বৃদ্ধি বা স্থূলতা একটি অত্যন্ত আশঙ্কাজনক ও ভীতিপ্রদ সমস্যায় পরিণত হয়েছে। মূলত শারীরিক কসরত কিংবা খেলাধুলার পর্যাপ্ত সুযোগের অভাব, প্রক্রিয়াজাত ফাস্ট ফুডের প্রতি অতিরিক্ত ঝোঁক এবং দৈনিক পর্যাপ্ত ঘুমের ঘাটতির ফলে কমবয়সীদের মধ্যে এই সমস্যা অত্যন্ত দ্রুতগতিতে বিস্তার লাভ করছে।
এই পরিস্থিতি থেকে উত্তরণের জন্য শিশুদের দৈনন্দিন খাদ্যতালিকায় তাৎক্ষণিকভাবে বড় ধরনের পরিবর্তন আনা একান্ত প্রয়োজন। খাবারের তালিকায় শর্করার আধিক্য উল্লেখযোগ্যভাবে কমিয়ে তার পরিবর্তে আমিষ বা প্রোটিন, নানা রকমের শাকসবজি, ফাইবার বা আঁশ এবং স্বাস্থ্যসম্মত চর্বিযুক্ত খাবার বেশি মাত্রায় পরিবেশন করতে হবে।
একই সঙ্গে সব ধরনের ফাস্ট ফুড, অতিরিক্ত তেল ও চর্বিযুক্ত খাবার এবং উচ্চ ক্যালরিযুক্ত অস্বাস্থ্যকর ভাজাপোড়া খাদ্যতালিকা থেকে পুরোপুরি বর্জন করতে হবে।
খাদ্যাভ্যাসে পরিবর্তনের পাশাপাশি শিশুদের দৈনন্দিন জীবনযাত্রার ধরনেও ইতিবাচক ও সুদূরপ্রসারী পরিবর্তন নিয়ে আসা আবশ্যক। নিয়মিতভাবে শারীরিক পরিশ্রমমূলক কাজ, খেলাধুলা এবং পরিমিত ব্যায়ামের অভ্যাস গড়ে তুলতে হবে, যা তাদের শারীরিক ও মানসিক গঠনে অত্যন্ত সহায়ক ভূমিকা পালন করবে।
শারীরিক সুস্থতা নিশ্চিত করতে শিশুদের ঘুমের নিয়মেও কড়াকড়ি আরোপ করতে হবে। রাতে শিশুদের নিরবচ্ছিন্নভাবে ৭ থেকে ৮ ঘণ্টা ঘুমানো নিশ্চিত করতে হবে এবং দিনের বেলা অতিরিক্ত ঘুমানোর বদঅভ্যাসটি ক্রমান্বয়ে কমিয়ে আনতে হবে।
সূত্র: আজকের পত্রিকা