
নিজস্ব প্রতিবেদক মুক্ত কণ্ঠস্বর
আইসিইউতে চিকিৎসাধীন রুগীদের প্রায় একচল্লিশ শতাংশের দেহে প্যান-ড্রাগ রেজিস্ট্যান্স দেখা দিয়েছে, যা কোনো ওষুধেই নিরাময় করতে চায় না। এছাড়া সার্বিকভাবে প্রায় ছেচল্লিশ থেকে উনআশি শতাংশ রুগীর ক্ষেত্রে বিভিন্ন ব্যাকটেরিয়ার মধ্যে বহুমুখী ওষুধ প্রতিরোধক্ষমতা তৈরি হয়েছে বলে গবেষণার উপাত্তে উঠে এসেছে।
বর্তমান সময়ে সাধারণ টাইফয়েড, মূত্রনালির সংক্রমণ এবং নিউমোনিয়ার মতো রোগের চিকিৎসায় ব্যবহৃত প্রথম ও দ্বিতীয় সারির বহু অ্যান্টিবায়োটিক তাদের কার্যকারিতা হারাচ্ছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, প্রেসক্রিপশন ছাড়া চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়াই যত্রতত্র ওষুধ বিক্রির অবাধ সংস্কৃতি এই গভীর সংকটকে আরও দ্রুত ত্বরান্বিত করে চলেছে।
এই মারাত্মক পরিস্থিতি থেকে উত্তরণ এবং সংকট মোকাবিলায় আমাদের সকলকে সুনির্দিষ্ট কিছু করণীয় কঠোরভাবে মেনে চলতে হবে।
প্রথমত, অ্যান্টিবায়োটিকের ডোজ শতভাগ সম্পন্ন করার ওপর সর্বাধিক জোর দিতে হবে এবং চিকিৎসকের নির্দিষ্ট নির্দেশনা মেনে চলা আবশ্যক।
রোগীর শারীরিক উপসর্গ পুরোপুরি সেরে গেলেও চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী নির্ধারিত দিন ও সঠিক মাত্রায় অ্যান্টিবায়োটিকের পুরো কোর্স সম্পূর্ণ করতে হবে।
কোনো অবস্থাতেই নিজের বুদ্ধিতে বা খামখেয়ালিপনা করে মাঝপথে অ্যান্টিবায়োটিক সেবন বন্ধ করা যাবে না, যা পরবর্তীতে বড় বিপদের কারণ হতে পারে।
সূত্র: আজকের পত্রিকা