
নিজস্ব প্রতিবেদক মুক্ত কণ্ঠস্বর
যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা, যুক্তরাজ্য এবং অস্ট্রেলিয়ার মতো দেশগুলোতে আইইএলটিএস পরীক্ষা ছাড়াই সরাসরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ভর্তি হওয়া এবং ভিসা পাওয়া একপ্রকার অসম্ভব বিষয় হিসেবে বিবেচনা করা হয়। যদিও কিছু নির্দিষ্ট রাষ্ট্র ইএসএল বা ইংরেজি ভাষা শিক্ষা প্রোগ্রাম সাফল্যের সঙ্গে সমাপ্ত করার শর্তে মূল কোর্সে অংশগ্রহণের সুযোগ দিয়ে থাকে, তবে সেই বিশেষ ব্যবস্থার আওতায় শেষ পর্যন্ত ভিসা পাওয়ার বিষয়টি অত্যন্ত অনিশ্চিত ও প্রশ্নসাপেক্ষ।
বিদেশি মাটিতে পাড়ি জমানোর পরিকল্পনা থাকলে সেখানকার নতুন সংস্কৃতির সঙ্গে দ্রুত খাপ খাইয়ে নেওয়ার মানসিক প্রস্তুতি থাকতে হবে। শিক্ষার্থীদের ইংরেজিতে পারদর্শী হওয়ার পাশাপাশি বিভিন্ন বিষয়ে সম্যক জ্ঞান রাখা এবং সহপাঠ্যক্রম সংক্রান্ত কার্যক্রমে জোরালোভাবে সম্পৃক্ত থাকা আবশ্যক।
মানসিকতা ও স্বপ্ন দেখার পরিধি এমনভাবে বিস্তৃত করতে হবে যেন নিজেকে একজন প্রকৃত আমেরিকান, কানাডিয়ান, ব্রিটিশ বা অস্ট্রেলিয়ান হিসেবে তৈরি করা যায়। কোনো শিক্ষার্থী যদি কাঙ্ক্ষিত দেশে যাওয়ার ইচ্ছা পোষণ করেন অথচ আইইএলটিএস কিংবা টোফেলের মতো প্রমিত পরীক্ষায় অংশ না নেন অথবা স্থানীয় ভাষা শিক্ষায় উদাসীন থাকেন, তবে তা কোনোভাবেই বাস্তবসম্মত নয়।
সব মিলিয়ে উচ্চশিক্ষার উদ্দেশ্যে বিদেশযাত্রার ক্ষেত্রে ভাষা শিক্ষার কোনো বিকল্প নেই এবং এটি একটি অবশ্যপালনীয় শর্ত। এ প্রসঙ্গে ভিসার ক্ষেত্রে স্পনসরশিপ বা আর্থিক সচ্ছলতা প্রমাণের জটিলতা নিরসনে এজেন্সি বা সংশ্লিষ্ট মাধ্যমগুলো ঠিক কী ধরনের সহায়তা প্রদান করে থাকে, সেই প্রশ্নটি বিশেষভাবে সামনে আসে।
জবাবে জানানো হয় যে, তাদের সাথে বিশ্বস্ত কিছু ব্যাংকের সুনির্দিষ্ট সুসম্পর্ক রয়েছে যারা শিক্ষার্থীদের প্রয়োজন সাপেক্ষে ফিক্সড ডিপোজিট বা এফডিআর তৈরির জন্য বিশেষ শিক্ষা ঋণের আর্থিক সুবিধা দিয়ে থাকে। উল্লেখ্য যে, বিদেশ যাত্রার সামগ্রিক ভিসা প্রক্রিয়াকরণ ধাপে এই এফডিআর বা আর্থিক সচ্ছলতার প্রমাণপত্র অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে।
সূত্র: আজকের পত্রিকা