
নিজস্ব প্রতিবেদক মুক্ত কণ্ঠস্বর
অল্প পুঁজি defending করতে নেমে চতুর্থ দিনে উইকেটের জন্য চরম অপেক্ষা করতে হচ্ছে বাংলাদেশ দলকে। রান তাড়ায় ক্যারিবীয়রা ব্যাটিংয়ে নামার পর পরিস্থিতি বেশ রোমাঞ্চকর হয়ে ওঠে।
মাত্র ১৭০ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ম্যাচের দ্বিতীয় ইনিংসে মাত্র ১ ওভার ব্যাট করার সুযোগ পায় ওয়েস্ট ইন্ডিজ। এই সংক্ষিপ্ত সময়ে কোনো উইকেট না হারিয়ে তারা স্কোরবোর্ডে ৮ রান সংগ্রহ করে, যার পরই আম্পায়াররা মধ্যাহ্নভোজের বিরতির ঘোষণা দেন।
ঠিক ওই প্রথম ওভারেই স্পিনার মেহেদী হাসান মিরাজের বল মোকাবিলা করতে গিয়ে চরম বিপাকে পড়েন ক্যারিবীয় ওপেনার ক্যাম্পবেল। মিরাজের করা ওই একই ওভারে তাঁর বিপক্ষে পরপর তিনবার এলবিডব্লুর জোরালো আবেদন করেন বাংলাদেশি ফিল্ডাররা।
তবে বোলারদের জোরালো আবেদন সত্ত্বেও কোনো একবারের জন্যও আস্থার হাত বাড়াননি ফিল্ড আম্পায়ার। প্রতিবারই আম্পায়ার নটআউটের সিদ্ধান্ত বহাল রাখায় দারুণ সুযোগ হাতছাড়া হয় টাইগারদের।
দুপুরের বিরতি শেষ হয়ে যখন পুনরায় মাঠের লড়াই শুরু হয়, তখনও আম্পায়ারদের একই রকম রক্ষণাত্মক মনোভাব দেখা যায়। বিরতির পর বল হাতে আক্রমণে এসে নাঈম হাসান ও তাইজুল ইসলামরাও বেশ কয়েকবার এলবিডব্লুর আবেদন জানান, কিন্তু আম্পায়াররা তাতে কোনো সাড়া দেননি।
স্বল্প রান ডিফেন্ড করার সময় প্রতিটি উইকেটের মূল্য দলের কাছে অনেক বেশি। ঠিক এমন এক সংকটময় মুহূর্তে উইকেটের দেখা পাওয়ার জন্য ফিল্ডারদের চাতক পাখির মতো অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করতে দেখা যায়।
অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত পরিস্থিতি সামাল দিতে দুই দফায় রিভিউয়ের সাহায্য নেন। কিন্তু দুর্ভাগ্যজনকভাবে দুইবারই বল আম্পায়ার্স কলে গিয়ে আটকে যাওয়ায় ক্যারিবীয় ওপেনাররা বেঁচে যান।
রিভিউ নিয়েও কোনো উইকেটের সফল পতন ঘটাতে না পারার কারণে ফিল্ডে তৈরি হয় দীর্ঘশ্বাসের আবহ। কাঙ্ক্ষিত সাফল্য না পাওয়ার এই তীব্র হতাশা ও আক্ষেপ স্পষ্ট ফুটে ওঠে বাংলাদেশ অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্তর পুরো চেহারায়।
সূত্র: আজকের পত্রিকা