
নিজস্ব প্রতিবেদক মুক্ত কণ্ঠস্বর
১৭০ রানের লক্ষ্য তাড়ায় খেলতে নেমে ম্যাচের দ্বিতীয় ইনিংসে ১ ওভার মোকাবিলা করে কোনো উইকেটের পতন না ঘটিয়ে ৮ রান সংগ্রহ করে ক্যারিবীয় দল, যার পরপরই প্রথম সেশনের সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়। সেই নির্দিষ্ট ওভারটিতেই প্রতিপক্ষের ব্যাটার ক্যাম্পবেলের বিরুদ্ধে টানা তিনবার এলবিডব্লুর জোরালো আবেদন জানান স্পিনার মিরাজ, তবে কোনো দফাতেই অনফিল্ড আম্পায়ার সাড়া দিতে রাজি হননি।
দুপুরের বিরতি শেষ করে যখন পুনরায় খেলা গড়ায়, তখনও নাঈম ও তাইজুলদের করা আবেদনে সাড়া দেননি আম্পায়ার। অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত দুইবার রিভিউয়ের সাহায্য নিলেও আম্পায়ার্স কলের কারণে রক্ষা পান ক্যারিবীয় ওপেনাররা, যেখানে স্বল্প পুঁজির কারণে প্রতিটি উইকেটের জন্য আকুলিবিকুলি করা শান্তর মুখাবয়বে চরম হতাশার ছাপ স্পষ্ট হয়ে ওঠে।
প্রতিবারের ন্যায় এই ম্যাচের চতুর্থ দিনেও দুপুর গড়াতেই শেরেবাংলা স্টেডিয়ামের ফ্লাডলাইট অন করা হয়। নির্ধারিত সময় অনুযায়ী দুপুর ২টা ১০ মিনিটে চা বিরতি দেওয়ার কথা থাকলেও, তার তিন-চার মিনিট আগেই আম্পায়াররা বিরতির বাঁশি বাজান এবং ১৭.৪ ওভারের খেলা শেষে বিনা উইকেটে ৮৭ রান তোলার মধ্য দিয়ে দ্বিতীয় সেশনের ইতি ঘটে।
দলীয় স্কোরে ১১২ রান জমা হওয়ার পর অবশেষে ওয়েস্ট ইন্ডিজের এই উদ্বোধনী জুটি ভাঙতে সক্ষম হন পেসার শরীফুল ইসলাম। একুশতম ওভারের পঞ্চম বলটিতে শরীফুলের ভেতরে ঢুকে যাওয়া ডেলিভারি ক্যাম্পবেলের ব্যাটের কানায় লেগে সরাসরি স্টাম্প ভেঙে দেয়, যেখানে বাঁহাতি এই ক্যারিবীয় ব্যাটার ৫৫টি বল খেলে ৬টি চার ও ১টি ছক্কার সাহায্যে ব্যক্তিগত ৪৯ রান করেন।
এরপর তিন নম্বর পজিশনে ক্রিজে আসা তেজনারায়ণ চন্দরপাল ১৫টি বল মোকাবেলা করে মাত্র ১ রান সংগ্রহ করতে সক্ষম হন। পরবর্তীতে সাইড পরিবর্তনের পর সাতাশতম ওভারের চতুর্থ বলটিতে তাঁকে সাজঘরে ফিরিয়ে দেন অপর পেসার হাসান মাহমুদ।
সূত্র: আজকের পত্রিকা