
নিজস্ব প্রতিবেদক মুক্ত কণ্ঠস্বর
শিক্ষা বোর্ডের সাম্প্রতিক তথ্য পর্যালোচনায় উন্মোচিত হয়েছে যে, দক্ষিণ অঞ্চলের বিভাগীয় শহর খুলনার ভেতরে অবস্থিত মোট ছয়টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের কোনো শিক্ষার্থীই এবারের পরীক্ষায় সাফল্যের মুখ দেখতে পাননি। সম্পূর্ণভাবে পাস করতে ব্যর্থ হওয়া এই প্রতিষ্ঠানগুলোর তালিকাটি খতিয়ে দেখলে বেশ কিছু পরিচিত নাম চোখে পড়ে।
তালিকায় থাকা প্রথম প্রতিষ্ঠানটি হলো মডেল মহিলা কলেজ। দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে ইনডিপেনডেন্ট আইডিয়াল কলেজ। এই ক্রমধারা অনুযায়ী বাকি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর নামও শিক্ষা বোর্ডের প্রকাশিত চূড়ান্ত ফলাফলে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে।
তালিকায় অন্তর্ভুক্ত অন্যান্য প্রতিষ্ঠানগুলো হলো কপিলমুনি সহচারী বিদ্যা মন্দির এবং কয়রা শাকবাড়িয়া স্কুল অ্যান্ড কলেজ। গ্রামীণ ও জনবহুল এলাকার এই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর ফলাফল বিপর্যয় অভিভাবকদের উদ্বিগ্ন করে তুলেছে।
এ ছাড়া অকৃতকার্য প্রতিষ্ঠানের তালিকায় আরও যুক্ত হয়েছে কমরেড রতন সেন কলেজিয়েট গার্লস কলেজ। মেয়েদের এই বিশেষ বিদ্যাপীঠটির এমন হতাশাজনক ফলাফল সংশ্লিষ্ট মহলে গভীর আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
ফেল করা এই প্রতিষ্ঠানের তালিকায় সর্বশেষ নাম হিসেবে রয়েছে খুলনা নিউজপ্রিন্ট মিলস স্কুল অ্যান্ড কলেজ। সব মিলিয়ে মোট ছয়টি প্রতিষ্ঠানের ফলাফল শূন্যের কোঠায় নেমে আসায় শিক্ষাবোর্ড কঠোর অবস্থান নেওয়ার প্রস্তুতি গ্রহণ করছে।
এহেন শোচনীয় ও লজ্জাজনক ফলাফলের প্রকৃত কারণ জানতে চেয়ে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রধানদের বিরুদ্ধে দাপ্তরিক ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানিয়েছেন দায়িত্বশীল ব্যক্তিরা।
এ প্রসঙ্গে বিস্তারিত ব্যাখ্যা প্রদান করতে গিয়ে যশোর শিক্ষা বোর্ডের সচিব অধ্যাপক ড. আব্দুল মতিন সংবাদমাধ্যমকে জানান যে, প্রতিবারের মতো এবারও শূন্য পাস করা এসব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধান ব্যক্তিদের আনুষ্ঠানিকভাবে কারণ দর্শানোর নোটিশ প্রেরণ করা হবে।
বোর্ডের এই উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা আরও সতর্ক করে বলেছেন যে, পরিস্থিতির গুরুত্ব বিবেচনা করে এবং প্রয়োজনে ভবিষ্যতে এই সমস্ত নিম্নমানের প্রতিষ্ঠানের অনুমোদন বা অধিভুক্তি নবায়নের প্রক্রিয়া চিরতরে বন্ধ করে দেওয়া হতে পারে।
সূত্র: আজকের পত্রিকা