
নিজস্ব প্রতিবেদক মুক্ত কণ্ঠস্বর
গত শনিবার বিকেলে দেশটির সরকারি সূত্রে প্রকাশিত পরিসংখ্যানে জানা যায় যে, এই আন্দোলনে জমায়েত হওয়া মানুষের পরিমাণ উদ্যোক্তাদের প্রাক-আন্দোলন অনুমানের চেয়ে কম ছিল। আন্দোলন পরিচালনার দায়িত্বে থাকা ব্যক্তিরা শুরুতেই প্রায় এক লাখ বিরাশি হাজার নাগরিকের উপস্থিতির ব্যাপারে আশাবাদী ছিলেন। কিন্তু ফ্রাঙ্কফুর্ট শহরের পাশাপাশি মিউনিখ ও বার্লিনে দায়িত্বপ্রাপ্ত আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর তথ্য অনুযায়ী সব মিলিয়ে সর্বোচ্চ আঠারো হাজার প্রতিবাদকারী উপস্থিত হন। বিপরীত দিকে, প্রতিবাদী দলগুলোর নিজস্ব অনলাইন পেজে প্রায় ছত্রিশ হাজার ব্যক্তির উপস্থিতি নথিভুক্ত করা হয়েছিল।
জার্মান প্রশাসন জানিয়েছে যে, হ্যালোইন উদযাপনের দিনটির সঙ্গে মিলে যাওয়ায় সাপ্তাহিক ছুটির দিনের এই প্রতিবাদ কর্মসূচিগুলো অধিকাংশ সময় শান্তিশৃঙ্খলার সঙ্গেই পরিচালিত হয়েছে। যদিও উগ্র মতাদর্শের দলগুলো এই গণআন্দোলনকে নিজেদের অসৎ উদ্দেশ্যে কাজে লাগাতে পারে বলে আগে থেকেই প্রশাসন আশঙ্কা প্রকাশ করেছে। ইতোমধ্যে হামবুর্গ এলাকায় নিরাপত্তা বাহিনীর তৈরি করা কিছু অস্থায়ী বেড়ায় দুর্বৃত্তদের আগুন দেওয়ার মতো নাশকতামূলক ঘটনাও ঘটেছে।
ওই দিন রাজধানীর একটি বিশাল সমাবেশে ‘জেন-জি রেগেল্ট’ সংগঠনের প্রধান প্রতিনিধি লিনা ফ্রিডরিখ গণমাধ্যমকে বলেন যে, তারা এখানে সামরিক সংঘাত কিংবা বলপ্রয়োগের সপক্ষে আসেননি, বরং তাদের মূল লক্ষ্য হলো বৈশ্বিক শান্তি ও ব্যক্তি স্বাধীনতার পক্ষে জোরালো কণ্ঠস্বর তোলা।
তিনি আরও যোগ করেন যে, তাদের কাছে চিকিৎসা সেবা এবং পঠনপাঠন কাঠامোর জন্য আরও অধিক অনুকূল সহায়তা পাওয়াটাই সর্বাধিক অগ্রাধিকার পায়। তারা জোরপূর্বক সামরিক বাহিনীতে নাম লেখানোর নিয়মকে মেনে নেন না এবং সামাজিক দায়িত্বের ভার সঠিকভাবে সব স্তরে ভাগ করে দেওয়ার পক্ষে অবস্থান নেন।
সূত্র: আজকের পত্রিকা