
নিজস্ব প্রতিবেদক মুক্ত কণ্ঠস্বর
রাজধানীর টঙ্গীর মাজার বস্তি অঞ্চল থেকে যে মোটরসাইকেলটি জব্দ করা হয়েছিল, সেটি বিমানবাহিনীর সাবেক কর্মকর্তা কে এম তাহসিফ সাউরির (২৮) বলেই নিশ্চিত করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন বা পিবিআই।
গত রোববার এই গুরুত্বপূর্ণ তথ্যটির সত্যতা গণমাধ্যমের কাছে নিশ্চিত করেছেন পিবিআইয়ের আইন ও গণমাধ্যম শাখার দায়িত্বপ্রাপ্ত পুলিশ সুপার মোড় মো. আবু ইউসুফ।
এর আগে গত বুধবার বিকেলের দিকে রাজধানীর তুরাগের নদের যে নির্দিষ্ট স্থান থেকে নিহত তাহসিফের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছিল, ঠিক তার মাত্র ৫০ গজ দূরবর্তী টঙ্গী মাজার বস্তি এলাকা থেকে গাড়িটি খুঁজে পাওয়া যায়।
তদন্তের অংশ হিসেবে পুলিশ সুপার আবু ইউসুফ জানান যে, নিহত তাহসিফ মিরপুর দুই নম্বরের একটি শোরুম থেকে এই মোটরসাইকেলটি ক্রয় করেছিলেন।
এ বিষয়ে পিবিআইয়ের অতিরিক্ত ডিআইজি মো. এনায়েত হোসেন মান্নান গণমাধ্যমকে জানান, আজ থেকে দুই বছর আগে অর্থাৎ ২০২২ সালে তাহসিফ এই মোটরসাইকেলটি সংগ্রহ করেছিলেন এবং গাড়িটির এখন পর্যন্ত কোনো ধরনের নিবন্ধন বা রেজিস্ট্রেশন সম্পন্ন হয়নি।
মূলত তাহসিফ নিখোঁজ হওয়ার প্রাক্কালে যে বন্ধুস্থানীয় ছোট ভাইয়ের আহ্বানে নিজ বাসা থেকে বাইরে পা রেখেছিলেন, সেই আহমেদ শাহরিয়ার রেজা দীপের দেওয়া সুনির্দিষ্ট তথ্যের ওপর ভিত্তি করেই গাড়িটি উদ্ধার করা সম্ভব হয়।
জিজ্ঞাসাবাদে দীপ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে জানিয়েছেন যে, কিছু ব্যক্তির ধাওয়ার মুখেই তাহসিফ বাধ্য হয়ে নদীতে ঝাঁপিয়ে পড়েছিলেন এবং তিনি নিজে সেখান থেকে পালিয়ে আসেন।
উল্লেখ্য, বিমানবাহিনীর সাবেক এই কর্মকর্তার রহস্যজনক মৃত্যুর ঘটনায় তার পরিবার ও স্বজনদের পক্ষ থেকে রাজধানীর উত্তরখান থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে।
বর্তমানে এই চাঞ্চল্যকর হত্যা মামলাটির তদন্তের দায়িত্ব পালন করছে নৌ পুলিশ এবং মামলার অন্যতম আসামি বন্ধু দীপ বর্তমানে চার দিনের পুলিশ রিমান্ডে রয়েছেন।
সূত্র: জাতীয় দৈনিক আমার সকাল টিম।