
নিজস্ব প্রতিবেদক মুক্ত কণ্ঠস্বর
গত ২২ অক্টোবর শেরপুরের শ্রীবরদী উপজেলার কুড়িকাহনীয়া এলাকার কুড়েমনি খালের একটি ব্রিজের নিচ থেকে ভাসমান একটি প্লাস্টিকের ড্রাম উদ্ধার করা হয়। ভেতরে ছিল ঝিনুক আক্তারের মরদেহ। পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন বা পিবিআই সূত্রে এই চাঞ্চল্যকর তথ্য জানা গেছে।
নিহত ঝিনুক গাজীপুরের টঙ্গী এলাকার শাকিল মিয়ার কন্যা। এই মর্মান্তিক ঘটনার পর নিহতের ফুফু শিরিনা আক্তার বাদী হয়ে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। শ্রীবরদী থানায় দায়ের করা ওই মামলায় ঝিনুকের স্বামী মো. সাইফুল ইসলাম মুন্নাসহ অজ্ঞাতনামা আরও চার-পাঁচজনকে আসামি করা হয়।
মামলা দায়েরের পর পুলিশের পাশাপাশি পিবিআই এই হত্যাকাণ্ডের ছায়া তদন্ত শুরু করে। পরবর্তীতে এই লোমহর্ষক মামলার তদন্তভার অর্পণ করা হয় পিবিআইয়ের পরিদর্শক মো. মাহবুবুর রহমানের ওপর। তাঁর নিবিড় তদন্তে হত্যাকাণ্ডের আসল রহস্য উন্মোচিত হয়।
তদন্তে বেরিয়ে আসে যে, হত্যাকাণ্ডের আগের দিন অর্থাৎ গত ২১ অক্টোবর ঝিনুককে রাজধানী ঢাকার দক্ষিণখান এলাকার আব্দুস সাত্তারের একটি ভাড়া বাসায় নিয়ে যাওয়া হয়। ফাতেমাসহ চারজন ব্যক্তি তাঁকে সেখানে নিয়ে গিয়েছিলেন।
সেখানে পৌঁছানোর পর আর্থিক লেনদেন সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে ঝিনুকের সঙ্গে অভিযুক্তদের তীব্র বিরোধ বাধে। এই বিরোধের একপর্যায়ে ফাতেমা ধারালো অস্ত্র দিয়ে ঝিনুকের শরীরে আঘাত করেন।
আঘাতের পর অন্যান্য আসামিরা মিলে ঝিনুকের গলায় গামছা পেঁচিয়ে ধরেন এবং তাঁর মৃত্যু নিশ্চিত করেন। পিবিআইয়ের অনুসন্ধানে এমনই চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এসেছে বলে সংস্থাটির পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে।
সূত্র: আজকের পত্রিকা