
নিজস্ব প্রতিবেদক মুক্ত কণ্ঠস্বর
পবিত্রতা অর্জন সাপেক্ষে যেকোনো মুহূর্তে দরুদ পাঠের সুযোগ থাকলেও, ইসলামি শরিয়তে নির্দিষ্ট কিছু ক্ষণ ও অবস্থায় এটি পড়ার ওপর বিশেষ তাগিদ দেওয়া হয়েছে। এই বিশেষ সময়গুলোর অন্যতম হলো দুই রাকাত বিশিষ্ট সালাতের দ্বিতীয় রাকাতে এবং চার রাকাত বিশিষ্ট সালাতের শেষ বৈঠকে তাশাহুদ পাঠ সম্পন্ন করার পরবর্তী পর্যায়।
এছাড়াও যখনই মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর পবিত্র নাম মুমিন বান্দার কানে আসে কিংবা কেউ তা উচ্চারণ করেন, তখন দরুদ পাঠ করা জরুরি। পাশাপাশি যেকোনো ধরনের দোয়া করার প্রারম্ভে এবং সমাপ্তিতেও দরুদ পড়ার বিধান রয়েছে।
কোনো সভাকক্ষ বা মজলিস থেকে প্রস্থান করার ঠিক পূর্ব মুহূর্তেও দরুদ পাঠের নির্দেশনা রয়েছে। আর মোয়াজ্জিনের আজান শেষ হওয়ার পর নির্ধারিত দোয়াটি পড়ার ঠিক আগের মুহূর্তেও দরুদ শরিফ পাঠ করতে হয়।
পবিত্র মসজিদ প্রাঙ্গণে পা রাখার সময় এবং মদিনা শরিফে অবস্থিত প্রিয় নবীর রওজা মোবারক জিয়ারতের সময়ও দরুদ পড়ার বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে। এছাড়া যেকোনো গ্রন্থ, চিঠি বা যেকোনো ধরনের লেখালেখির কাজ শুরু করার প্রাক্কালেও এটি পাঠ করা হয়।
নিয়মিত ও নিয়মিতভাবে দরুদ শরিফ পাঠ করার মাধ্যমে একজন প্রকৃত মুমিন বান্দা মহান আল্লাহর অপার সন্তুষ্টি অর্জন করতে সমর্থ হন। এর পাশাপাশি এর অসিলায় মেলে অফুরন্ত পুণ্য এবং আখেরাতের দিনে খোদ মহান রাসুলে আকরাম (সা.)-এর সুমহান শাফায়াত লাভের সৌভাগ্য।
সূত্র: আজকের পত্রিকা