
নিজস্ব প্রতিবেদক মুক্ত কণ্ঠস্বর
বেতন বৃদ্ধির নতুন কাঠামো অনুযায়ী পারিশ্রমিক পেতে বিলম্ব হওয়ায় চরম ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কর্মীরা। তাঁদের স্পষ্ট অভিযোগ, সংশ্লিষ্ট প্রশাসনিক কর্মকর্তার দায়িত্বহীনতার কারণেই নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে জরুরি কাগজপত্র সিভিল এভিয়েশন অথরিটি অব বাংলাদেশের প্রধান কার্যালয়ে পৌঁছানো সম্ভব হয়নি। এর ফলে নির্ধারিত সময়ে বাড়তি বেতনের সুযোগ থেকে বঞ্চিত হয়েছেন তারা।
বেতন পুনর্নির্ধারণের প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে নির্ধারিত অর্থ যথাসময় জমা না দেওয়াকেও কাগজপত্র দেরিতে পাঠানোর অন্যতম প্রধান কারণ হিসেবে চিহ্নিত করেছেন বেশ কয়েকজন ভুক্তভোগী কর্মী। প্রশাসনিক জটিলতার কারণে এমন পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে বলে দাবি তাঁদের।
অন্যদিকে, নিজেদের বিরুদ্ধে ওঠা সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করে শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের প্রশাসনিক কর্মকর্তা কায়সার মোহাইমেন গণমাধ্যমের কাছে নিজের বক্তব্য তুলে ধরেন। তিনি জানান, বিমানবন্দরটির কর্মীদের মোট ৩১৯টি ফাইল ইতিমধ্যে প্রধান কার্যালয়ে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে ঠিকঠাকভাবে ৩০০টি ফাইলের অনুমোদন সম্পূর্ণ হয়েছে বলে উল্লেখ করেন তিনি।
বাকি থাকা ১৯টি ফাইল সম্পর্কে কায়সার মোহাইমেন বলেন, আগামী দু-এক দিনের মধ্যেই সেগুলোর অনুমোদন প্রক্রিয়া শেষ হয়ে যাবে। এই অনুমোদন সম্পন্ন হলেই সব কর্মী একসঙ্গে তাঁদের বর্ধিত বেতন হাতে পেয়ে যাবেন বলে আশ্বস্ত করেন তিনি।
অন্যান্য বিমানবন্দরগুলোর তুলনায় এখানে কেন দেরি হলো, তার ব্যাখ্যায় তিনি জানান, দেশের বাকি বিমানবন্দরগুলোতে কর্মী সংখ্যা কম থাকায় সেখানকার নথিপত্র অত্যন্ত দ্রুততার সঙ্গে পাশ করানো সম্ভব হয়েছে এবং কর্মীরা নির্ধারিত সময়ে বেতন বুঝে পেয়েছেন।
পক্ষান্তরে শাহ আমানত বিমানবন্দরে কর্মরত জনবলের সংখ্যা বেশ বেশি হওয়ায় সমস্ত ফাইল একসঙ্গে অনুমোদন করা সম্ভব হয়নি বলে জানান কায়সার মোহাইমেন। তিনি আরও যোগ করেন, এই বাস্তবতার পরিপ্রেক্ষিতে বিমানবন্দরের পরিচালক মহোদয় নির্দেশনা দিয়েছেন যে, সব কর্মীর ফাইল সম্পূর্ণ অনুমোদিত হওয়ার পরেই যেন একসঙ্গে বর্ধিত বেতন ছাড় করা হয়।
সার 전체 বিষয়ে শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের পরিচালক গ্রুপ ক্যাপ্টেন মোহাম্মদ নুর হোসেনের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, উদ্ভূত এই জটিলতা দ্রুত নিরসনের জন্য কর্তৃপক্ষের তরফ থেকে সর্বাত্মক প্রচেষ্টা চালানো হচ্ছে।
সূত্র: আজকের পত্রিকা